ডিজিট্যাল ও অনলাইন শিক্ষা প্রথাগত শিক্ষার সমান্তরাল গুরুত্বপূর্ণ ধারা : রাজ্যপাল
আগরতলা, ৭ এপ্রিল (হি.স.) : ডিস্টেন্স এডুকেশন, অনলাইন এডুকেশন এবং ডিজিট্যাল এডুকেশন শুধুমাত্র প্রথাগত শিক্ষার বিকল্প নয়, বরং আধুনিক সময়ে এগুলি সমান্তরাল ও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষাধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এমনটাই মত প্রকাশ করলেন ত্রিপু
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল


আগরতলা, ৭ এপ্রিল (হি.স.) : ডিস্টেন্স এডুকেশন, অনলাইন এডুকেশন এবং ডিজিট্যাল এডুকেশন শুধুমাত্র প্রথাগত শিক্ষার বিকল্প নয়, বরং আধুনিক সময়ে এগুলি সমান্তরাল ও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষাধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এমনটাই মত প্রকাশ করলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু। মঙ্গলবার আগরতলায় রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (ইগনো)-র আগরতলা আঞ্চলিক কেন্দ্রের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে তিনি এই কথা বলেন।

রাজ্যপাল বলেন, বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর, তাই শিক্ষাক্ষেত্রেও প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ডিস্টেন্স ও ডিজিট্যাল শিক্ষার মাধ্যমে বহু শিক্ষার্থী তাদের সুবিধামতো সময়ে এবং স্থানে থেকে শিক্ষালাভের সুযোগ পাচ্ছেন, যা শিক্ষার গণতন্ত্রীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে ডিজিট্যাল শিক্ষার উপকরণ গ্রহণ করে আজীবন শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

এদিন মূল সমাবর্তন অনুষ্ঠানটি নয়াদিল্লিতে ইগনোর সদর দফতরে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি ডঃ সিপি রাধাকৃষ্ণাণ। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক কেন্দ্রে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়, যার অংশ হিসেবে আগরতলাতেও সমাবর্তনের আয়োজন করা হয়।

রাজ্যপাল তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, ইগনো দূরদর্শী পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রযুক্তিকে গ্রহণ করে একটি প্রকৃত গণ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শও দেন তিনি। এর ফলে শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের কর্মসংস্থানের জন্য আরও দক্ষ হয়ে উঠবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে মেধাবী ও কৃতী ছাত্রছাত্রীদের হাতে ডিগ্রি ও সনদপত্র তুলে দেন রাজ্যপাল। সমাবর্তনকে ঘিরে ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ভাষণ রাখেন ইগনো-র আগরতলা আঞ্চলিক কেন্দ্রের অধিকর্তা ডঃ চন্দ্রশেখর পুট্টা। তিনি প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রম ও সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইগনো-র কো-অর্ডিনেটর সম্রাট গোস্বামী।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande