
ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-কে হস্তান্তরের ভাবনা সরকারের
ইমফল, ১৩ মে (হি.স.) : কাংপোকপি জেলায় সংঘটিত হামলায় আহতদের দেখতে শিজা হাসপাতালে ছুটে গেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ সিং। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে এর তদন্তভার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে হস্তান্তরের কথা ভাবা হচ্ছে, জানান মুখ্যমন্ত্রী।
আজ বুধবার মণিপুরের কাংপোকপি জেলায় সংঘটিত অ্যাম্বুশে আহত হয়েছেন তিনজন যথাক্রমে থাংটিনলেন (৩৮), গৌনাং (২৬) এবং হৌপু (৫০)। তাঁরা ইমফলে অবস্থিত শিজা হসপিটাল অ্যান্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউশনে চিকিৎসাধীন।
তাঁদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে উপ-মুখ্যমন্ত্রী লসি দিখো, গৃহমন্ত্রী গোবিন্দাস কোন্থৌজাম, কয়েকজন মন্ত্রী, বিধায়কগণ যথাক্রমে লেইশিয়ো কেইশিং, রাম মুইভাহ ও সাপাম কুঞ্জাকেশ্বর সিংদের সঙ্গে নিয়ে শিজা হাসপাতালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ সিং।
হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এই হামলায় সাধারণ মানুষ ও ধর্মীয় নেতাদের লক্ষ্য করা হয়েছে। তাঁরা সবসময় শান্তির পক্ষে কথা বলতেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ধর্মীয় নেতা ও সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণকে তিনি কঠোর ভাষায় নিন্দা করেন। হামলার তদন্তভার জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ-কে হস্তান্তরের সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকার প্রথমে আলোচনা করবে, তার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
হামলায় কোনও সংগঠনের জড়িত থাকার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে উপ-মুখ্যমন্ত্রী লসি দিখো বলেন, এখন পর্যন্ত কোনও সংগঠন বর্বরোচিত এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। তাই এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট কোনও গোষ্ঠী বা সংগঠনের সম্পৃক্ততা নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, আজ (বুধবার) কাংপোকপি জেলায় অন্তর্গত কোটজিম এবং কোটলেন গ্রামের মধ্যবর্তী এলাকায় দুটি গাড়িতে সন্দেহভাজন সশস্ত্র জঙ্গিদের হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সূত্রের খবর, ভুক্তভোগীরা দুটি গাড়িতে চার্চের নেতৃবৃন্দ ছিলেন। তাঁদের গাড়ির গতিরোধ করে সশস্ত্র হামলাকারীরা গুলি চালায়।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস