ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে সংস্কৃত কন্টেন্ট ক্রিয়েশন ও নাগরিক সাংবাদিকতার ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির সূচনা
পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৩ মে (হি.স.): ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সংস্কৃত কন্টেন্ট ক্রিয়েশন ও নাগরিক সাংবাদিকতার ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির সূচনা হলো বুধবার। অধ্যক্ষ প্রফেসর মন্টু কুমার দাস এবং সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপকমণ্ডলীর উপস্থ
ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে সংস্কৃত কন্টেন্ট ক্রিয়েশন ও নাগরিক সাংবাদিকতার ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির সূচনা


পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৩ মে (হি.স.): ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সংস্কৃত কন্টেন্ট ক্রিয়েশন ও নাগরিক সাংবাদিকতার ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির সূচনা হলো বুধবার। অধ্যক্ষ প্রফেসর মন্টু কুমার দাস এবং সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপকমণ্ডলীর উপস্থিতিতে কলেজের স্নাতক স্তরের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্রছাত্রীদের জন্য আয়োজন করা হয় এই কর্মসূচির। এই ইন্টার্নশিপ কর্মসূচি সংস্কৃতভারতী দক্ষিণবঙ্গ এবং হিন্দুস্থান সমাচার এই দুই সহযোগী সংস্থার যৌথ অংশীদারিত্বে আয়োজিত হচ্ছে।

কলেজের তরফে জানানো হয়েছে, এই শিবিরের উদ্দেশ্য, ছাত্রছাত্রীদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় সংস্কৃত ভাষার ব্যবহারকে উৎসাহিত করা এবং সংস্কৃতকে কেবল পাঠ্যবিষয় হিসেবে নয়, বরং জীবন্ত ও কার্যকরী ভাষা হিসেবে আত্মস্থ করা। উল্লেখ্য, এই প্রশিক্ষণ নতুন শিক্ষাক্রম তথা জাতীয় শিক্ষানীতি (এন ই পি ২০২০) এবং কারিক্যুলাম অ্যান্ড ক্রেডিট ফ্রেমওয়ার্ক ফর আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামস (সি সি এফ ইউ পি) অনুসারে পরিচালিত।

এই ইন্টার্নশিপ কর্মসূচি ছাত্রছাত্রীদের মিডিয়া ও কনটেন্ট রাইটিংয়ে দক্ষতা বৃদ্ধির এক বিশেষ উদ্যোগ। “সিটিজেন জার্নালিজম অ্যান্ড সংস্কৃত কন্টেন্ট ক্রিয়েশন শীর্ষক এই কর্মসূচিতে ছাত্রছাত্রীরা সংবাদ লেখা, সংস্কৃত কনটেন্ট সৃজন, সংস্কৃত ও বাংলা ভাষায় সাংবাদিকতার নীতিমালা এবং বাস্তবমুখী ক্ষেত্রসমীক্ষা করার সুযোগ পাবে। শিক্ষার্থীরা স্বাধীনভাবে নির্ধারিত অ্যাসাইনমেন্ট ও ফিল্ডওয়ার্ক সম্পাদন করবেন বলে জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র শুদ্ধ উচ্চারণ ও মৌখিক সংলাপেই নয়, বরং সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা, ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণ, ভিডিও, ফটোগ্রাফি, তথ্য যাচাই ও সোশ্যাল মিডিয়ায় কনটেন্ট পরিবেশনের ক্ষেত্রে ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করবে বলে আশাপ্রকাশ করেন কলেজের সংশ্লিষ্ট বিভাগের অধ্যাপকরা। তাঁরা জানান, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের ভাষাজ্ঞান, সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি-নির্ভর দক্ষতা ও পেশাগত প্রস্তুতিকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পড়ুয়াদের বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande