গৌহাটি হাইকোর্টে বাতিল উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদে দলত্যাগ বিরোধী আইন
হাফলং (অসম), ১৩ মে (হি.স.) : উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদে দলত্যাগ বিরোধী আইন বাতিল ঘোষণা করেছে গৌহাটি হাইকোর্ট। গৌহাটি হাইকোর্ট উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদে এনসি হিলস ৪২-তম সংশোধনী আইন, ২০১৭-এর রুল ১৮ এ-কে অবৈধ ঘোষণা করেছে। আদালত জা
উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ (ফাইল ফটো)


হাফলং (অসম), ১৩ মে (হি.স.) : উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদে দলত্যাগ বিরোধী আইন বাতিল ঘোষণা করেছে গৌহাটি হাইকোর্ট। গৌহাটি হাইকোর্ট উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদে এনসি হিলস ৪২-তম সংশোধনী আইন, ২০১৭-এর রুল ১৮ এ-কে অবৈধ ঘোষণা করেছে। আদালত জানিয়েছে, উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রণয়নের কোনও সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই।

প্রধান বিচারপতি অশুতোষ কুমার এবং বিচারপতি অরুণ দেব চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ষষ্ঠ তফশিলের অধীনে স্বশাসিত পরিষদের আইন প্রণয়নের ক্ষমতার বাইরে ছিল এই বিধান। আদালত আরও বলেছে, দলত্যাগ বিরোধী আইন সংবিধানের দশম তফশিলের আওতাভুক্ত বিষয় আদালত পর্যবেক্ষণ করে, পরিষদ কোনও পূর্ণাঙ্গ আইনসভা নয় এবং ষষ্ঠ তফশিলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই এমন বিষয়ে আইন প্রণয়ন করতে পারে বলে। তাই এই দলত্যাগ বিরোধী বিধানকে অসাংবিধানিক ও ক্ষমতার সীমা অতিক্রমকারী বলে ঘোষণা করেছে আদালত।

প্রসঙ্গত, ডিমা হাসাও জেলার চার বাসিন্দা এই সংশোধনীর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন। সংশোধনীতে দলত্যাগের ভিত্তিতে পরিষদের সদস্যদের অযোগ্য ঘোষণার বিধান আনা হয়েছিল। আদালতের রায়ে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের আইন কার্যকর করতে হলে সংসদের মাধ্যমে সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। ফলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে সংশ্লিষ্ট আইনকে বাতিল ও অকার্যকর ঘোষণা করেছে।

উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালে ভারতীয় সংবিধানের দশম অনুচ্ছেদ অনুসারে সংযোজন করা হয়েছিল দলত্যাগ বিরোধী আইন। সংসদ এবং রাজ্য বিধানসভা, দুটিতে ব্যাপক দলত্যাগ কার্য নিয়ন্ত্রণ করতে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রনয়ন করা হয়েছিল। ২০০২ সালে সংবিধান কার্যকরী করে জাতীয় কমিশন দলত্যাগ বিরোধী আইন বলবৎ করে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande