নবনির্মিত কমিউনিটি হলের উদ্বোধন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মুখর সরসপুর
কদমতলা (ত্রিপুরা), ১৩ মে (হি.স.) : উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে সরসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ নং ওয়ার্ডের সবুজ কেন্দ্রে নবনির্মিত কমিউনিটি হলের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই কমিউনিটি হলের আ
কমিউনিটি হলের উদ্বোধন


কদমতলা (ত্রিপুরা), ১৩ মে (হি.স.) : উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে সরসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ নং ওয়ার্ডের সবুজ কেন্দ্রে নবনির্মিত কমিউনিটি হলের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই কমিউনিটি হলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কদমতলা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান মিহিরঞ্জন নাথ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কদমতলা পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান বিদ্যাভূষণ দাস, পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা বর্তমান সদস্য সুব্রত দেব, সদস্যা সুদীপ্ত দে এবং সরসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান দিলীপ কুমার গোস্বামী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সরসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অপর্ণা মালাকার।

উদ্বোধনী পর্বে মিহিরঞ্জন নাথ নবনির্মিত কমিউনিটি হলের ফলক উন্মোচন করেন। পরে ফিতা কেটে এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে হলটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সবুজ কেন্দ্রের সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের স্বাগত জানান সবুজ কেন্দ্রের সভাপতি নানিগোপাল নাথ। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এদিন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সবুজ কেন্দ্রের প্রাক্তন সম্পাদক নিরঞ্জন নাথ কমিউনিটি হল নির্মাণের গুরুত্ব এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

উদ্বোধকসহ অন্যান্য অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, এই কমিউনিটি হল স্থানীয় মানুষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিভিন্ন সভা, প্রশিক্ষণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজনের জন্য এটি বিশেষভাবে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে ধামাইল সংগীত, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি ও ছড়া আবৃত্তির মাধ্যমে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শকরা মুগ্ধ হন। সার্বিকভাবে দিনটি আনন্দঘন ও স্মরণীয় হয়ে ওঠে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande