চেবরী বাজারে পুকুরে উদ্ধার ভাসমান মৃতদেহ
খোয়াই (ত্রিপুরা), ১৪ মে (হি.স.) : খোয়াই থানা এলাকার চেবরী বাজার সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে মজনু মিয়া (৫২) নামের জনৈক ব্যক্তির ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয়দের নজরে আসে পুকুরের জলে একটি মৃতদে
মৃতদেহ উদ্ধার


খোয়াই (ত্রিপুরা), ১৪ মে (হি.স.) : খোয়াই থানা এলাকার চেবরী বাজার সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে মজনু মিয়া (৫২) নামের জনৈক ব্যক্তির ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয়দের নজরে আসে পুকুরের জলে একটি মৃতদেহ ভাসছে। এরপরই বিষয়টি দ্রুত পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত মজনু মিয়া রামচন্দ্রঘাট রসরাজনগর মুসলিম পাড়ার বাসিন্দা। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাঙাচোরা আসবাবপত্র সংগ্রহ করতেন। প্রতিদিনের মতোই বৃহস্পতিবার সকালেও তিনি বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হন বলে জানা গেছে।

দুপুরের দিকে চেবরী বাজার সংলগ্ন এলাকার পুকুরে স্থানীয়রা একটি মৃতদেহ ভাসতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে দ্রুত খবর দেওয়া হয় মৃতের পরিবারের সদস্যদের এবং খোয়াই থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শেষে মৃতদেহ উদ্ধার করে খোয়াই জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পরবর্তীতে হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া মেনে এরপর মৃতদেহটি পরিবারের হাতে তুলে দেয় পুলিশ। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

অন্যদিকে, মৃতের পরিবারের দাবি, মজনু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাঁদের অনুমান, কাজের সময় আচমকা খিঁচুনি ওঠায় তিনি অসাবধানতাবশত পুকুরের জলে পড়ে যান এবং সেখানেই মৃত্যু হয়।

তবে ঘটনাস্থলের অবস্থান ও প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যস্ত বাজার সংলগ্ন এলাকায় এমন মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে—তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

খোয়াই থানার পুলিশ জানিয়েছে, একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চালানো হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে কোনও সম্ভাবনাই এখনই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande