মেধাকেই প্রাধান্য, জেআরবিটি নিয়োগে হাইকোর্টের কড়া অবস্থান
আগরতলা, ২ মে (হি.স.): দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা জেআরবিটি-র গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিল ত্রিপুরা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী চার মাসের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে ত্রু
ত্রিপুরা হাইকোর্ট


আগরতলা, ২ মে (হি.স.): দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা জেআরবিটি-র গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিল ত্রিপুরা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী চার মাসের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে ত্রুটিহীন তালিকা তৈরি করে সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

হাইকোর্টের বিচারপতি এসডি পুরকায়স্থের বেঞ্চে এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলার আইনজীবী অরিজিৎ ভৌমিক জানান, ২০২৪ সালে জেআরবিটি-র গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগ নিয়ে মোট চারটি পৃথক মামলা দায়ের হয়। মূলত শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী (ফিজিক্যাল হ্যান্ডিক্যাপড) প্রার্থীরা এই মামলা করেন।

মামলাকারীদের অভিযোগ ছিল, তাঁরা পরীক্ষায় বেশি নম্বর পেলেও তাঁদের বঞ্চিত করা হয়েছে এবং তুলনামূলক কম নম্বরপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নির্বাচন করা হয়েছে। জেআরবিটি কর্তৃপক্ষ এসটিপিএইচ ও এসসিপিএইচ কোটা দেখিয়ে নিয়োগের সুপারিশ করেছিল, যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

আদালত তার রায়ে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এসটিপিএস ও এসসিপিএস-এর ভিত্তিতে করা নির্বাচন সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। নিয়োগের ক্ষেত্রে একমাত্র মেধা তালিকাকেই প্রাধান্য দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত একটি স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত মেধা তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং চার মাসের মধ্যে গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

এই রায়ের ফলে জেআরবিটি-র মাধ্যমে প্রায় ২৪১০টি গ্রুপ-সি এবং প্রায় ২৫০০টি গ্রুপ-ডি পদের জন্য আবেদনকারী হাজার হাজার প্রার্থীর দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে এই রায়কে ঘিরে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক ও আইনি জটিলতা চলছিল। হাইকোর্টের এই রায়ের পর সেই জট কাটিয়ে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande