ভবানীপুরেও ফুটল পদ্ম : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫,১১৪ ভোটে হারিয়ে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী
কলকাতা, ৪ মে (হি. স.) : নন্দীগ্রামের পর এবার খাস কলকাতা তথা মুখ্যমন্ত্রীর খাসতালুক ভবানীপুরও দখল করল বিজেপি। দীর্ঘ টানাপোড়েন এবং হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করলেন বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দল
শুভেন্দু অধিকারী


কলকাতা, ৪ মে (হি. স.) : নন্দীগ্রামের পর এবার খাস কলকাতা তথা মুখ্যমন্ত্রীর খাসতালুক ভবানীপুরও দখল করল বিজেপি। দীর্ঘ টানাপোড়েন এবং হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করলেন বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৫,১১৪ ভোটের ব্যবধানে এই আসনে জয়ী হয়েছেন তিনি।

গণনার শুরু থেকেই ভবানীপুর আসনে লড়াই ছিল অত্যন্ত অনিশ্চিত। প্রথম কয়েক রাউন্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিড দিলেও, বিকেলের পর থেকে ছবিটা বদলাতে শুরু করে। শুভেন্দু অধিকারী আগেই দাবি করেছিলেন যে, ১০ রাউন্ডের পর থেকে তিনি লিড নিতে শুরু করবেন। কার্যত তাঁর সেই ভবিষ্যৎবাণীই সত্যি প্রমাণিত হলো। ১৮ রাউন্ডের গণনার শেষে দেখা যায়, শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৬৭,২৩৯টি ভোট এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৬,২৪৫টি ভোট। অর্থাৎ প্রায় ১১ হাজার ভোটের ব্যবধান তখনই তৈরি হয়ে গিয়েছিল, যা শেষ রাউন্ডে গিয়ে ১৫,১১৪-এ পৌঁছায়।

২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতাকে হারানোর পর ২০২৬ সালে ভবানীপুরের মাটিতেও তাঁকে হারানো শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক জীবনে এক বিশাল সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলের দুর্গে বড়সড় ফাটল ধরাল গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভবানীপুরের এই জয় রাজ্যে বিজেপির সরকার গড়ার পথকে আরও মসৃণ করে দিল।

জয়ের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী এই সাফল্যকে ‘বাংলার অস্মিতা এবং সুশাসনের জয়’ বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, এই পরাজয় তৃণমূল শিবিরের জন্য এক চরম বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ খোদ মুখ্যমন্ত্রী নিজের কেন্দ্রে জয় ধরে রাখতে ব্যর্থ হলেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande