পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র জয় ‘যুগান্তকারী’ : মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা
আগরতলা, ৪ মে (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির বিজয়কে “যুগান্তকারী মুহূর্ত” হিসেবে ব্যাখ্যা করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। সোমবার আগরতলায় অনুষ্ঠিত বিজয় মিছিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, এই র
আগরতলায় বিজয় মিছিল


আগরতলা, ৪ মে (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির বিজয়কে “যুগান্তকারী মুহূর্ত” হিসেবে ব্যাখ্যা করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। সোমবার আগরতলায় অনুষ্ঠিত বিজয় মিছিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, এই রায় শুধু একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং গোটা দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটি শুধুমাত্র বাংলার বিজয় নয়, এটি সমগ্র ভারতের বিজয়। দীর্ঘদিন ধরে ভয়, সন্ত্রাস এবং দুঃশাসনের যে পরিবেশ সেখানে বিরাজ করছিল, বাংলার মানুষ তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা পরিবর্তন চেয়েছিলেন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই পরিবর্তন এনেছেন।” তাঁর মতে, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে সাধারণ মানুষ এখন শান্তি, নিরাপত্তা ও সুশাসনকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন।

ডঃ সাহা এই ঐতিহাসিক জয়ের পেছনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্ব, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কৌশলগত পরিকল্পনা এবং বিজেপি-র জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সাংগঠনিক দক্ষতার বিশেষ অবদান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দলীয় কর্মী ও নেতৃত্বের নিরলস পরিশ্রম এবং ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

তিনি আরও বলেন, “মানুষ ভয় ও দুর্নীতির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার পক্ষে রায় দিয়েছেন। একটি রাজ্য কখনও ভীতি প্রদর্শন বা দুর্নীতির মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে না। এই ফলাফল দেশের ভবিষ্যৎ এবং নিরাপত্তার দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে অসম, পুদুচেরি, কেরালা এবং ত্রিপুরার ধর্মনগর উপনির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই ধারাবাহিক সাফল্যই প্রমাণ করছে যে দেশের মানুষ ক্রমশ উন্নয়নমুখী এবং স্থিতিশীল প্রশাসনের প্রতি আস্থা রাখছেন।

পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা ত্রিপুরার বিজেপি কর্মীদেরও প্রশংসা করেন, যারা নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে দলের পক্ষে কাজ করেছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande