বেদখলমুক্তকৃত বনভূমিতে নতুন কোনও প্রকল্প নির্মাণ করা যাবে না, নির্দেশ গুয়াহাটি উচ্চ আদালতের
গুয়াহাটি, ১০ জুন (হি.স.) : অসম বেদখলকারীদের কবল থেকে মুক্তকৃত বনভূমি অন্য কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না, নিৰ্মাণ করা যাবে না নতুন কোনও প্রকল্প, গুরুত্বপূর্ণ এই নির্দেশ জারি করেছে গুয়াহাটি উচ্চ আদালত। আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, বেদখলকার
গুয়াহাটি উচ্চ আদালত_প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র


গুয়াহাটি, ১০ জুন (হি.স.) : অসম বেদখলকারীদের কবল থেকে মুক্তকৃত বনভূমি অন্য কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না, নিৰ্মাণ করা যাবে না নতুন কোনও প্রকল্প, গুরুত্বপূর্ণ এই নির্দেশ জারি করেছে গুয়াহাটি উচ্চ আদালত।

আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, বেদখলকারীদের কাছ থেকে মুক্তকৃত বনভূমি অন্য কোনও কাজে ব্যবহার না করে পরিবেশের ভারসাম্য পুনরুদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট জমিতে কেবলমাত্র গাছপালা লাগিয়ে পুনরায় বনাঞ্চল তৈরি করতে হবে।

সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে আদালত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। সকল বেদখলকারীকে ৩০ দিনের মধ্যে বনভূমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। নিৰ্দেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমি খালি না করলে কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সংশ্লিষ্ট জেলার সাধারণ ও পুলিশ প্রশাসন এবং বন বিভাগকে একসঙ্গে সমন্বয় করে বনভূমিতে জবরদখলকারীদের উচ্ছেদ করতে অভিযান চালাতে নির্দেশ দিয়েছে গুয়াহাটি উচ্চ আদালত।

আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ জোর দিয়ে বলেছে, জমি খালি করার পর সেই জমি কোনও ধরনের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পরিকল্পিতভাবে সেখানে শুধুমাত্র সবুজ আচ্ছাদন তৈরি করতে হবে।

আদালত আরও বলেছে, আধার কার্ড বা ভোটার পরিচয়পত্রের মতো নথিপত্র বনভূমিতে অবৈধভাবে বসবাসকারী ব্যক্তিদের কোনও আইনি সুরক্ষা দেবে না। এছাড়া, যারা বেআইনিভাবে বনভূমি দখল করে রয়েছে, তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ অবিলম্বে বিচ্ছিন্ন করার জন্য অসম পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডকে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande