
কলকাতা ১০ জুন (হি. স.) : ভারতীয় রেলের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ প্রকল্প দেশের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই)-গুলির সামনে আন্তর্জাতিক রেল সরঞ্জাম সরবরাহ শৃঙ্খলে যুক্ত হওয়ার বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। ইইপিসি ইন্ডিয়ার উদ্যোগে আয়োজিত তিনদিনের ‘ইন্ডিয়ান রেলওয়েজ সোর্সিং উইক’-এর ষষ্ঠ সংস্করণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের যুগ্মসচিব বিমল আনন্দ।
তিনি বলেন, ভারতীয় রেলের অনুমোদিত বিক্রেতা হওয়া মানেই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করছে এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত। এমএসএমই-দের উন্নয়নে কেন্দ্রের জনক্রয় নীতির উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকারি দফতর ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে বার্ষিক চাহিদার অন্তত ২৫ শতাংশ পণ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প থেকে কেনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি, সরকারি ই-মার্কেটপ্লেস (জিইএম) ক্রয় প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও সহজ করেছে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার এই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার তা শেষ হবে।
ইইপিসি ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান পঙ্কজ চাডা বলেন, বছরে ১,৫০০-রও বেশি বৈদ্যুতিক লোকোমোটিভ, বিপুল সংখ্যক এলএইচবি কোচ এবং ওয়াগন উৎপাদনের মাধ্যমে ভারত বিশ্ব রেল উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। নতুন রেলটেক নীতি ও পোর্টাল এমএসএমই এবং স্টার্টআপগুলির জন্য প্রযুক্তি উন্নয়ন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রবেশের নতুন পথ খুলে দিয়েছে বলেও তিনি জানান।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত