রাজ্যসভার টিকিট না পেলেই জনজীবনের ইতি নয়, স্পষ্ট বার্তা দেবেগৌড়ার
বেঙ্গালুরু, ১০ জুন (হি.স.) : কর্নাটক থেকে রাজ্যসভা নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে জল্পনার মাঝেই নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ. ডি. দেবেগৌড়া। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যসভার সদস্য না হলেও
রাজ্যসভার টিকিট না পেলেই জনজীবনের ইতি নয়, স্পষ্ট বার্তা দেবেগৌড়ার


বেঙ্গালুরু, ১০ জুন (হি.স.) : কর্নাটক থেকে রাজ্যসভা নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে জল্পনার মাঝেই নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ. ডি. দেবেগৌড়া। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যসভার সদস্য না হলেও তাঁর জনজীবন বা রাজনৈতিক ভূমিকার সমাপ্তি ঘটছে না।

বুধবার বেঙ্গালুরুর জেডিএসের সদর দফতর জেপি ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেবেগৌড়া বলেন, “আমি চুপ করে বসে থাকার মানুষ নই। রাজ্য ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী আগের মতোই মতামত জানিয়ে যাব। রাজ্যসভার সদস্য না হওয়ার অর্থ এই নয় যে, আমার রাজনৈতিক ভূমিকা শেষ হয়ে গেল।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে দেবেগৌড়া বলেন, তাঁদের সম্পর্ক শুধুমাত্র একটি রাজ্যসভার আসনকে কেন্দ্র করে নয়। গত এক দশক ধরে তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব ও প্রশাসন সম্পর্কে তিনি অতীতেও খোলামেলা মত প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও তা করবেন বলে জানান।

সাত দশকেরও বেশি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনসেবাই সবসময় তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল। যদি তাঁর রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার প্রবল ইচ্ছা থাকত, তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি চেষ্টা করতে পারতেন। কিন্তু দলই রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

জেডিএস কেন প্রার্থী দেয়নি, সে প্রসঙ্গে দেবেগৌড়া বলেন, দলের পর্যাপ্ত সংখ্যাবল ছিল না। শুধুমাত্র একটি আসনের দাবি তোলা যুক্তিযুক্ত হত না বলেই দল নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেনি।

রাজ্যসভার টিকিট ঘিরে চলা রাজনৈতিক জল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকেই তাঁর নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সামনে এনেছিলেন। তবে তিনি দলের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে মেনে নিয়েছেন এবং এই বিষয়টিকে অযথা রাজনৈতিক রং না দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে দেবেগৌড়া বলেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের (এনডিএ) অংশ হয়েও জেডিএস নিজেদের সাংগঠনিক বিস্তারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আসন্ন পুরসভা, জেলা পরিষদ, তালুক পরিষদ-সহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, দলীয় কর্মীদের তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে আরও মজবুত করা এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেবেগৌড়ার স্পষ্ট বক্তব্য, রাজ্যসভার আসন পাওয়া বা না পাওয়া তাঁর জনসেবা, দলীয় সংগঠন গড়ে তোলা এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনও প্রভাব ফেলবে না।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande