কাশীপুরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, কার্তুজ উদ্ধার
দেহরাদুন, ১০ জুন (হি.স.): ‘অপরাধমুক্ত উত্তরাখণ্ড’ অভিযানের অংশ হিসেবে জাল অস্ত্র লাইসেন্সের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ও উধম সিং নগর পুলিশ। যৌথ অভিযানে কাশীপুর থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, কার্তুজ এবং জ
কাশীপুরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, কার্তুজ ও জাল অস্ত্র লাইসেন্স উদ্ধার


দেহরাদুন, ১০ জুন (হি.স.): ‘অপরাধমুক্ত উত্তরাখণ্ড’ অভিযানের অংশ হিসেবে জাল অস্ত্র লাইসেন্সের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ও উধম সিং নগর পুলিশ। যৌথ অভিযানে কাশীপুর থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, কার্তুজ এবং জাল অস্ত্র লাইসেন্স উদ্ধার করা হয়েছে।

এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি মামলার তদন্ত চলাকালীন মঙ্গলবার গভীর রাতে কাশীপুরের কাটোরাতাল এলাকায় একটি সুইফট গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে একটি ১২ বোরের পাম্প অ্যাকশন বন্দুক, একটি পয়েন্ট ২২ বোরের সেমি-অটোমেটিক রাইফেল, একটি পয়েন্ট ৩২ বোরের সেমি-অটোমেটিক পিস্তল, একটি পয়েন্ট ৩২ বোরের রিভলভার, ২৩৭টি তাজা কার্তুজ, চারটি ম্যাগাজিন এবং সাতটি জাল অস্ত্র লাইসেন্স উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী থানায় জমা করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এসটিএফ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, কার্তুজ, জাল লাইসেন্স ও গাড়িটি মামলায় নাম থাকা অভিযুক্ত সৌরভ আগরওয়াল, গৌরব আগরওয়াল এবং দীপ্তি আগরওয়ালের সঙ্গে যুক্ত। গোটা ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

এসটিএফ-এর সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ অজয় সিং বুধবার জানান, রাজ্যে বাইরের রাজ্য থেকে স্থানান্তরিত হয়ে আসা অস্ত্র লাইসেন্সগুলির বৈধতা ও সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত তিনটি পৃথক অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং পাঁচজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই পাঁচটি অবৈধ অস্ত্র এবং একাধিক জাল লাইসেন্স উদ্ধার হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায়, কাশীপুরের কাটোরাতাল এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র মজুত রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এসটিএফ ও পুলিশের যৌথ দল অভিযান চালিয়ে গাড়িটি আটক করে এবং অস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করে। এসটিএফ-এর দাবি, উত্তরাখণ্ড পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, সন্দেহজনক বা জাল অস্ত্র লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনও তথ্য থাকলে দ্রুত এসটিএফ-কে জানানোর আবেদন করা হয়েছে। তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। এই অভিযানে এসটিএফ-এর ইন্সপেক্টর অরুণ কুমার, ইন্সপেক্টর এম.পি. সিং, কনস্টেবল গুরবন্ত সিং, মোহিত বর্মা এবং সোনু পাণ্ডে অংশ নেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সুনন্দা দাস




 

 rajesh pande