অনুপ্রবেশকারীকে পুশব্যাকের পর উত্তেজনা মেঘালয়ের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে
শিলং, ১০ জুন (হি.স.) : অনুপ্রবেশকারী এক ব্যক্তিকে পুশব্যাক এবং বাংলাদেশ কৰ্তৃপক্ষ তাকে গ্রহণ করাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মেঘালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম গারোপাহাড় জেলার অন্তর্গত ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স
মেঘালয়ের ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে উত্তেজনা


শিলং, ১০ জুন (হি.স.) : অনুপ্রবেশকারী এক ব্যক্তিকে পুশব্যাক এবং বাংলাদেশ কৰ্তৃপক্ষ তাকে গ্রহণ করাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মেঘালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম গারোপাহাড় জেলার অন্তর্গত ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-র হাতে ধরা পড়ার পর ওই অনুপ্রবেশকারীকে সীমান্তের ওপারে পুশব্যাক করা হয়েছিল।

বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত খবরে প্রকাশ, ঘটনাটি মহেন্দ্রগঞ্জের কাছে নন্দীর চর এলাকায় ঘটেছে। সেখানে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে সন্দেহ করা হয়। তিনি মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ। এর পর বিএসএফ তাকে আটক করে।

আটকের পর প্রচলিত নিয়ম মেনে বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে পুশব্যাক করে বাংলাদেশ সীমান্ত পার করে দেয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, সীমান্ত পার হওয়ার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বাংলাদেশের স্থানীয় বাসিন্দারা ওই ব্যক্তিকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। অনুপ্রবেশকারীকে কেন্দ্র করে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ বাকবিতণ্ডাও হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিদবিবাদের পরিপ্রেক্ষিতে ওই ব্যক্তি সীমান্ত বেড়ার ওপারে আটকে পড়েন। যার দরুন আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সীমান্তের দুই পারে স্থানীয় জনতা জড়ো হয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তুলেন।

সূত্রটি জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে স্বীকারও করেছিলেন। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় (বাংলাদেশ) বাসিন্দারা তাকে নিজেদের হেফাজতে নিতে অস্বীকার করেন। এর ফলে তার অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে দাবিকৃত বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওগুলিতে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ ও অতিরিক্ত তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। তবে ভিডিওগুলির সত্যতা এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত দাবিগুলি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নিরাপত্তা সংস্থাগুলি পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে বলে জানা গেছে। এই খবর লেখা পর্যন্ত বিএসএফ বা বিজিবি, কোনও পক্ষ থেকে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande