বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ হাজীপুর, গোলাপ ফুল ও মিষ্টি দিয়ে অভিনব প্রতিবাদ গ্রামবাসীদের
হুগলি , ১০ জুন (হি.স.) : দক্ষিণবঙ্গে তীব্র গরমের মধ্যে অনিয়মিত বিদ্যুৎ পরিষেবার প্রতিবাদে অভিনব কর্মসূচি নিলেন কামারপুকুর সংলগ্ন হাজীপুর এলাকার বাসিন্দারা। বুধবার কামারপুকুর বিদ্যুৎ দফতরের এসএস অফিসে গিয়ে গোলাপ ফুল ও মিষ্টি দিয়ে বিদ্যুৎ কর্মীদের ‘স
গোলাপ ফুল দিয়ে প্রতিবাদ


হুগলি , ১০ জুন (হি.স.) : দক্ষিণবঙ্গে তীব্র গরমের মধ্যে অনিয়মিত বিদ্যুৎ পরিষেবার প্রতিবাদে অভিনব কর্মসূচি নিলেন কামারপুকুর সংলগ্ন হাজীপুর এলাকার বাসিন্দারা। বুধবার কামারপুকুর বিদ্যুৎ দফতরের এসএস অফিসে গিয়ে গোলাপ ফুল ও মিষ্টি দিয়ে বিদ্যুৎ কর্মীদের ‘সম্বর্ধনা’ জানিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য মেঘ জমলেই এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। ঘনঘন লোডশেডিং, সিঙ্গেল ফেজের সমস্যা এবং দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তীব্র গরমের মধ্যে পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

গ্রামবাসীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যা চলছে। একাধিকবার বিদ্যুৎ দফতরে অভিযোগ জানানো হলেও স্থায়ী সমাধানের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তাঁরা ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন।

এদিন হাতে স্মারকলিপি নিয়ে বিদ্যুৎ দফতরে পৌঁছে কর্মীদের মিষ্টি খাইয়ে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ধন্যবাদ জানান প্রতিবাদকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, “এত উন্নত পরিষেবার জন্যই আমরা কর্মীদের মিষ্টিমুখ করাতে এসেছি।”

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সামান্য বৃষ্টি বা ঝোড়ো হাওয়াতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। ভোল্টেজের ওঠানামার কারণে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। এর ফলে কৃষিকাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, বারবার আবেদন সত্ত্বেও বিদ্যুৎ দফতরের তরফে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই এই প্রতীকী প্রতিবাদের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।

অভিনব এই কর্মসূচি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও বঞ্চনার বহিঃপ্রকাশই এই ‘গোলাপ ও মিষ্টি’ প্রতিবাদ। এখন দেখার, বিদ্যুৎ দপ্তর সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কতটা সক্রিয় ভূমিকা নেয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande