
কলকাতা, ১৩ জুন (হি.স.): রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে ফের আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়ালেন চাকরিপ্রার্থীরা। এই মুহূর্তে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার যোগ্য পরীক্ষার্থী নিয়োগ তালিকার দিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ বৃদ্ধি এবং ‘সিট আপডেট’ করার মাধ্যমে ‘সেকেন্ড এসএলএসটি’ -র সমস্ত ওয়েটিং প্রার্থীকে নিয়োগের দাবিতে শনিবার সরব হলেন ‘দ্বিতীয় এসএলএসটি ওয়েটিং ক্যান্ডিডেট অ্যাসোসিয়েশন’-এর প্রতিনিধিরা। কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিজেপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কাছে অবিলম্বে তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
মূলত এই সংগঠনের উদ্যোগেই শনিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে চাকরিপ্রার্থীদের এই দীর্ঘকালীন বঞ্চনার কথা বিশদে তুলে ধরা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের সহ-সভাপতি পলাশ সেন বলেন, ২০১৬ সালে শেষবার তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার পরীক্ষা নিয়েছিল, যা পরবর্তীকালে দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বাতিল হয়ে যায়। এর দীর্ঘ ১০ বছর পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকাশিত গেজেট মেনে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) নতুন করে পরীক্ষা গ্রহণ করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিগত দিনের প্যানেল বাতিল হওয়ার কারণে ভুক্তভোগীদের পাশাপাশি নতুন বা ফ্রেশার পরীক্ষার্থীরাও পুনরায় পরীক্ষায় বসতে বাধ্য হন।
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি পলাশ সেন, সম্পাদিকা আজমীরা খাতুন, সায়ন্তিকা মণ্ডল, সেলিম মণ্ডল এবং ড. কৃত্তিবাস দত্ত প্রমুখ। এই বিষয়ে আন্দোলনের প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যেই রাজ্যের নতুন শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণের কাছে ডেপুটেশন জমা দিয়ে দরবার করেছেন। দীর্ঘদিনের এই জটিলতা ও বঞ্চনার অবসান ঘটাতে নতুন শিক্ষামন্ত্রী যাতে অবিলম্বে ইতিবাচক হস্তক্ষেপ করেন, সেই আর্জিই জানিয়েছেন আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীরা।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত