অবৈধ বালি খাদান নিয়ে সরব চন্দনা বাউড়ি, রাজস্ব ফাঁকি ও বালি পাচারের অভিযোগে সরেজমিনে পরিদর্শন
বাঁকুড়া, ১৩ জুন (হি.স.) : জেলা জুড়ে অবৈধ বালি খাদান ও বালি পাচারের অভিযোগকে সামনে এনে এবার সরব হলেন শালতোড়ার বিজেপি বিধায়িকা চন্দনা বাউড়ি। মেজিয়া থানার অন্তর্গত দামোদর নদ সংলগ্ন একাধিক বালি খাদান পরিদর্শন করে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার বদলালে
অবৈধ বালি খাদান নিয়ে সরব চন্দনা বাউড়ি, রাজস্ব ফাঁকি ও বালি পাচারের অভিযোগে সরেজমিনে পরিদর্শন


বাঁকুড়া, ১৩ জুন (হি.স.) : জেলা জুড়ে অবৈধ বালি খাদান ও বালি পাচারের অভিযোগকে সামনে এনে এবার সরব হলেন শালতোড়ার বিজেপি বিধায়িকা চন্দনা বাউড়ি।

মেজিয়া থানার অন্তর্গত দামোদর নদ সংলগ্ন একাধিক বালি খাদান পরিদর্শন করে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার বদলালেও অবৈধ বালি ব্যবসা ও দুর্নীতির চক্র এখনও সক্রিয় রয়েছে।

বিধায়িকার দাবি, বিভিন্ন বালি ঘাটে সরকারি নিয়মকে উপেক্ষা করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বালি পাচার চলছে। সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় তিনি বিনা চালানে বালি পরিবহণ এবং জাল কিউআর কোড ব্যবহার করে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ঘাট মালিকরা লক্ষ লক্ষ টাকার সরকারি রাজস্ব বঞ্চিত করছেন।

চন্দনা বাউড়ি অভিযোগ করেন, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতরের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নদীতীরের দেড় কিলোমিটারের মধ্যে বালির স্টক পয়েন্ট গড়ে তোলা যায় না। অথচ বহু ক্ষেত্রে মাত্র ৫০০ মিটারেরও কম দূরত্বে বিপুল পরিমাণ বালি মজুত করে রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, শালতোড়া বিধানসভা এলাকায় মোট নয়টি বালি খাদান রয়েছে এবং তার অধিকাংশই সরকারি বিধিনিষেধ মেনে পরিচালিত হচ্ছে না। বালি উত্তোলন, সংরক্ষণ ও পরিবহণের ক্ষেত্রে একাধিক অনিয়ম চোখে পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বিধায়িকার অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতরগুলিও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও কার্যকর পদক্ষেপ করছে না। তাই গোটা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ভূমি দফতরের সমস্ত নিয়ম মেনে বালি খাদান পরিচালনার দাবিও তোলেন।

চন্দনা বাউড়ি বলেন, স্থানীয় সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের সময় বালি পাচ্ছেন না। অথচ অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ বালি মজুত করে রাখা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি চলতে দেওয়া যায় না।

তিনি জানান, বিষয়টি রাজ্য সরকারের সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রীকেও পুরো ঘটনা জানানো হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ বালি উত্তোলন নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছে। কয়েকদিন আগেই ছাতনার বিজেপি বিধায়কও অবৈধ বালি খাদানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছিলেন। সেই আবহেই শালতোড়ার বিধায়িকার এই সরেজমিন পরিদর্শন নতুন করে বিষয়টিকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande