ঔদ্ধত্যে রুষ্ট হয়ে মামলা ছাড়লেন কল্যাণ, দায়ী করলেন দল শেষ হওয়ার জন্যও
কলকাতা, ১১ জুন (হি স)। তৃণমূলের এই ভাঙন পর্বে যিনি জোর গলায় মমতার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বার বিদ্রোহী। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঔদ্ধত্যে’ রীতিমতো চটে গিয়ে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদের ঘোষণা, ‘‘মমতাদিকে বেছে ন
ঔদ্ধত্যে রুষ্ট হয়ে মামলা ছাড়লেন কল্যাণ, দায়ী করলেন দল শেষ হওয়ার জন্যও


কলকাতা, ১১ জুন (হি স)। তৃণমূলের এই ভাঙন পর্বে যিনি জোর গলায় মমতার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বার বিদ্রোহী। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঔদ্ধত্যে’ রীতিমতো চটে গিয়ে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদের ঘোষণা, ‘‘মমতাদিকে বেছে নিতে হবে, দলে কে থাকবে, আমি না অভিষেক।’’

বৃহস্পতিবার বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে অভিষেকের দায়ের করা মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়ে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের উপরে ক্ষোভ উগরে দেন কল্যাণবাবু। তাঁর মন্তব্য, “ওর জন্য দলটা শেষ হয়েছে। তার পরেও উদ্ধত ভাব যায়নি। এত ঔদ্ধত্য আমি নিতে পারছি না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলে থাকলে আমি আর এই দলে থাকব কিনা, তা এবার ভেবে দেখতে হবে।”

বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টে অভিষেকের সই-জাল মামলায় আইনজীবী হিসাবে সওয়াল করার কথা ছিল কল্যাণবাবুর। কিন্তু শুনানির আগে মামলা থেকে সরে দাঁড়ান শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ। শুধু কল্যাণবাবু নন, কল্যাণের ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্য জুনিয়র আইনজীবীরাও মামলা থেকে সরে দাঁড়ান।

এই মামলায় অভিষেকের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন অয়ন ভট্টাচার্য।

বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন একের পর এক তৃণমূল নেতা। ‘রাজপুত্র’-কে তুলোধোনা করে পরিষদীয় দল ভেঙে দিয়েছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়ক। একই ছবি সংসদেও।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande