বেলডাঙা হিংসা মামলায় এনআইএ তদন্তে বাধা নেই, হাইকোর্ট থেকে আবেদন প্রত্যাহার রাজ্য সরকারের
কলকাতা, ১২ জুন (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গের বেলডাঙা হিংসা মামলায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র তদন্তের আর বাধা রইল না। রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকার কলকাতা হাইকোর্ট থেকে এই সংক্রান্ত পুরনো মামলাটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এর আগে পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরক
কলকাতা হাইকোর্ট


কলকাতা, ১২ জুন (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গের বেলডাঙা হিংসা মামলায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র তদন্তের আর বাধা রইল না। রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকার কলকাতা হাইকোর্ট থেকে এই সংক্রান্ত পুরনো মামলাটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এর আগে পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এনআইএ তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে এই আবেদন দাখিল করেছিল। তবে এই মামলায় বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন বা ইউএপিএ ধারা কার্যকর হবে কি না, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে উচ্চ আদালত।

শুক্রবার মামলার শুনানির সময় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয় যে, এনআইএ তদন্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা পিটিশনটি তারা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এরপরই আদালত বেলডাঙা হিংসা মামলায় এনআইএ-কে আগামী ১০ দিনের মধ্যে একটি সাপ্লিমেন্টারি বা পূরক রিপোর্ট দাখিল করার নির্দেশ দেয়। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সংস্থাকে স্পষ্ট করতে বলেছে যে, তাদের হাতে এমন কী নতুন তথ্য ও তথ্যপ্রমাণ এসেছে, যার ভিত্তিতে এই মামলায় ইউএপিএ ধারা যুক্ত করার যৌক্তিকতা তৈরি হচ্ছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ৩০ জুন।

শুনানির সময় এনআইএ-র আইনজীবী অরুণ মাইতি আদালতকে জানান, পূর্ববর্তী শুনানিতে রাজ্য সরকারকে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরই মধ্যে তদন্তকারী সংস্থার হাতে বেশ কিছু নতুন নথি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে, যা ইঙ্গিত করে যে এই মামলায় ইউএপিএ ধারা প্রয়োগ করা যেতে পারে। আদালত এনআইএ-কে চূড়ান্ত সুযোগ দিয়ে বলেছে, বেলডাঙা হিংসায় ইউএপিএ কেন প্রয়োজনীয়, তার সপক্ষে অকাট্য ও যুক্তিগ্রাহ্য তথ্য প্রমাণ পেশ করতে হবে। আগামী শুনানিতে সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নেবে হাইকোর্ট।

অন্য দিকে, এই শুনানির সময়ই মালদা জেলার মোথাবাড়িতে বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনার ওপরও কড়া অবস্থান নেয় কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মোথাবাড়ি মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে এনআইএ-কে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সাথে আদালত জানতে চেয়েছে, ওই ঘটনায় অভিযুক্তরা নিম্ন আদালত থেকে ঠিক কীসের ভিত্তিতে জামিন পেলেন। এই বিষয়েও আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে উচ্চ আদালত।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande