বিকাশের নেপথ্যে সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ, মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর
কলকাতা, ১২ জুন (হি.স.): “সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এবং উন্নয়ন ভারতের সংকল্প। সেই জন্য আমরা যে মূল আধার—সেক্ষেত্রে বলেছি, ''বিকাশ ভি, বিরাসত ভি'।” শুক্রবার কলকাতায় এক সমাবেশে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “এই উন্নয়ন এবং ঐতিহ্
মুখ্যমন্ত্রী


কলকাতা, ১২ জুন (হি.স.): “সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এবং উন্নয়ন ভারতের সংকল্প। সেই জন্য আমরা যে মূল আধার—সেক্ষেত্রে বলেছি, 'বিকাশ ভি, বিরাসত ভি'।” শুক্রবার কলকাতায় এক সমাবেশে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি বলেন, “এই উন্নয়ন এবং ঐতিহ্য, দুইয়ের মেলবন্ধনে ৫০০ বছরের প্রতীক্ষার পর অযোধ্যায় প্রভু শ্রী রামচন্দ্রের বিশাল এবং দিব্য মন্দির নির্মাণ হয়েছে; কাশী বিশ্বনাথ মন্দির করিডোর; উজ্জয়িনীতে শ্রী মহাকাল লোকের নির্মাণ; কেদারনাথ ধামের গৌরবময় পুনর্নির্মাণ কোটি কোটি ভারতীয় আস্থার সম্মান বাড়িয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই বছরে আমাদের বুদ্ধ সার্কিট এবং রাম সার্কিটের সুপরিকল্পিত উন্নয়ন করা হয়েছে এবং প্রসাদ যোজনার অধীন ১,৭০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করে তীর্থক্ষেত্রগুলির খোলনলচে বদলে দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ থেকে শুরু হওয়া এই উন্নয়ন ও বিশ্বাসের যাত্রা থামার নয়।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “১২ বছর আমাদের এই সেবা ও সুশাসন দেশের প্রতিটি দরিদ্র, কৃষক, যুব, নারীর জীবনে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন এনেছে। এখন 'বিকশিত ভারত'-এর সংকল্পের সাথে জনকল্যাণ ও ক্ষমতায়নের ধারা অবিরাম বয়ে চলেছে। আসুন আমরা সবাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে একজোট হয়ে একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ, উন্নত ভারত গঠনের আমাদের অবদান রাখি।”

শুভেন্দুবাবু বলেন, “১৪০ কোটি দেশবাসীর বিশ্বাসের জয়—এই বিশ্বাসই আমাদের ২০৪৭ সালে বিকশিত ভারত তৈরি করার ক্ষেত্রে আমরা সফল হব, এটাই আজকে আমাদের সাংবাদিক সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande