
কলকাতা, ১২ জুন (হি. স. ) : মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চিহ্নিত করলেন অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র। সরকারের কাজের মূল্যায়নের ভার জনতার উপরে ছেড়ে দিয়ে তিনি বললেন, ‘‘আগামী অর্থবর্ষে বুঝতে পারবেন যে, এই সরকার শুধুমাত্র দল, পতাকা, ব্যক্তি, মুখ, নামের পরিবর্তন ঘটাতে আসেনি, ব্যবস্থা এবং স্বাদেরও পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে।’’
সরকারের বয়স ৩৫ দিন হলেও ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা জোরদার। শুধু রাজ্যের রাজনৈতিক শিবিরে নয়, রাজ্যের বাইরেও পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার তথা নতুন মুখ্যমন্ত্রী নানা পদক্ষেপ বা ঘোষণা নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী নিজে কী ভাবছেন? এক মাসে সরকারের সেরা অর্জন কী? প্রশ্ন ছিল সংবাদমাধ্যমের। সরকারের কাছে এখন অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রগুলি কী কী, তা নির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রশ্ন ছিল, গত এক মাসে রাজ্য সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন কোনটি বা কোনগুলি বলে মুখ্যমন্ত্রী নিজে মনে করেন?
জবাবে শুভেন্দুবাবু বলেন, ‘‘এক মাসে মূল্যায়ন করা খুব মুশকিল। তবে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা (সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য), অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে রাস্তা দেখিয়ে দেওয়া, জনগণনার কাজ চালু করা, এই ধরনের কাজকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।
জনকল্যাণের যে সুযোগ বিজেপি বা এনডিএ পরিচালিত ২১টা রাজ্য পাচ্ছে, আমাদের রাজ্যের মানুষ পাচ্ছেন না, সেই কাজগুলিকে বাস্তবে রূপায়ণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়েছি।’’
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘আমার নেতৃত্বে পরিচালিত বিজেপি সরকারের মূল্যায়ন এই ৩২-৩৪ দিনে আমার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এই মূল্যায়নের ভার জনগণের উপরে ছেড়ে দিতে চাই।’’
মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, ‘‘জনগণকেও বলব যে, আমাদেরকে সময় দিতে হবে। যা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করা দরকার, আমরা করেছি। আরও যা যা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করতে হবে, তা-ও করব।’’ এই সরকারের কাজের মূল্যায়ন ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ, চলতি অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার পরে করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত