পার্ক সার্কাস কাণ্ড টেনে ‘নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে’ চরম হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
কলকাতা, ১২ জুন (হি.স.): “রাজ্যে ধর্মের দোহাই দিয়ে যারা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে নবান্ন কতটা কঠোর হতে পারে”। শুক্রবার দুপুরে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের সাংবাদিক বৈঠকে স্পষ্ট ভাষায় সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্
মুখ্যমন্ত্রী


কলকাতা, ১২ জুন (হি.স.): “রাজ্যে ধর্মের দোহাই দিয়ে যারা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে নবান্ন কতটা কঠোর হতে পারে”। শুক্রবার দুপুরে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের সাংবাদিক বৈঠকে স্পষ্ট ভাষায় সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই নবান্নের আইনশৃঙ্খলা নীতি নিয়ে নানামুখী চর্চা চলছে। তার মধ্যেই থেকে উগ্রপন্থী ও আইন অমান্যকারীদের উদ্দেশে এক চরম ও নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি দিলেন।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে পার্ক সার্কাসের সেই বিতর্কিত বিক্ষোভের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ঠারেঠোরে প্রশ্ন করা হয়। ‘নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের একাংশ’ যেভাবে অতীতে বা বর্তমানে ধর্মকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা ভাঙার চেষ্টা করেছে, তাদের প্রতি সরকারের মনোভাব ঠিক কী— তা জানতে চাওয়া হলে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই এই জবাব দেন শুভেন্দুবাবু।

প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কিছু সংবেদনশীল এলাকার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আপনারা হয়তো ধুলিয়ান, সামসেরগঞ্জ, মোথাবাড়ি, বেলডাঙা ঘটনার কথা বোঝাতে চাইছেন।” এরপরই ঘরোয়া উপমা টেনে শুভেন্দুর সংযোজন, “রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর ভাতের হাঁড়ির চাল টেপার মতো দুটো চেষ্টা হয়েছিল। যেমন মা-দিদিরা করে থাকেন। একটা আসানসোলে, যেখানে একজনের বাড়িতে ঢুকে হামলার চেষ্টা হয়। আর দু’নম্বর ছিল পার্ক সার্কাস।”

বিক্ষোভকারীদের এক হাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, “আমার মনে হয়, তারপর থেকে আর কিছু দেখতে পারছেন না, না? আর দেখতেও পাবেন না। সে রকম হলে আমার থেকে খারাপ কাউকে দেখতে পাবেন না।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande