
কলকাতা, ২ জুন (হি স)। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের দাবি নিয়ে বিধানসভার স্পিকারকে কবে চিঠি দেবেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূলীরা? তাঁরাই কি হয়ে উঠবেন আসল তৃণমূল? পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই প্রশ্ন এই মুহূর্তে সবচেয়ে মূল্যবান। কেবল মুখে মুখে ঘুরছে না, কৌতূহলিরা উত্তরের খোঁজে উঁকি মারছেন ইতি-উতি।
মঙ্গলবার রাজনীতির অন্দরের যে খবর মিলেছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা দল থেকে বহিষ্কারের পরেই শুরু হয়ে যায় জল মাপা। সোমবার ইএম বাইপাসের ধারের একটি ঘরে প্রথম বৈঠক হয়। ফের সন্ধেয় নতুন করে এমএলএ হস্টেলের ঘরে বৈঠক হয়! সেই বৈঠকে মালদা, মুর্শিদাবাদের বিধায়করা-সহ জাভেদ খান, শিউলি সাহা উপস্থিত ছিলেন! সব মিলিয়ে মোট ১৫-১৬ জন বিধায়ক ছিলেন বলে সূত্রের খবর!
এও খবর, আজ-কালের মধ্যে অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছোনো তাঁদের সম্ভব হবে।
কারণ, তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহী বিধায়কদের সংখ্যা আরও বাড়ছে। এমএলএ হস্টেল থেকে বেরনোর সময় সোমবার রাতে শিউলি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “হস্টেলে নিজের ঘর দেখতে এসেছিলাম। দেখলাম, ঋতব্রত-সন্দীপনরা বসে। একটু চা খেয়ে গেলাম।”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত