লাদাখে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকে কড়া নিষেধাজ্ঞা, নিয়ম ভাঙলেই ১০ হাজার টাকা জরিমানা
লেহ, ২০ জুন (হি.স.): পরিবেশ রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিল লাদাখ প্রশাসন। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গল-ইউজ) প্লাস্টিকের ব্যবহার, বিক্রি, মজুত, পরিবহণ ও বিতরণের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিয়ম ভাঙলে ব্যক্তি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠ
লাদাখে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকে কড়া নিষেধাজ্ঞা, নিয়ম ভাঙলেই ১০ হাজার টাকা জরিমানা


লেহ, ২০ জুন (হি.স.): পরিবেশ রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিল লাদাখ প্রশাসন। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গল-ইউজ) প্লাস্টিকের ব্যবহার, বিক্রি, মজুত, পরিবহণ ও বিতরণের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিয়ম ভাঙলে ব্যক্তি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত পরিবেশগত জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি, প্রকাশ্যে আবর্জনা ফেললে ৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধানও কার্যকর করা হয়েছে।

উপরাজ্যপাল বিনয় কুমার সাক্সেনার অনুমোদনের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। লাদাখের ভঙ্গুর হিমালয় পরিবেশকে প্লাস্টিক দূষণ ও নির্বিচারে আবর্জনা ফেলার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে প্লাস্টিক বর্জ্যের বাড়বাড়ন্ত প্রশাসনের উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছিল।

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী প্লাস্টিকের চামচ, কাঁটা, কাপ, প্লেট, স্ট্র, ট্রে, প্লাস্টিক র্যাপিং ফিল্ম, থার্মোকলের সাজসজ্জার সামগ্রী, প্লাস্টিকের পতাকা, স্টিরার এবং নির্ধারিত মানের চেয়ে পাতলা প্লাস্টিক ব্যানারসহ চিহ্নিত সমস্ত একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যবহার ও বেচাকেনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রথমবারের মতো মহকুমা ও জেলা স্তরের একাধিক আধিকারিককে তল্লাশি, আইনভঙ্গ শনাক্ত, চালান কাটা এবং জরিমানা আদায়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আকস্মিক অভিযান, ভিডিওগ্রাফি, ফটোগ্রাফি এবং সিসিটিভি ফুটেজকেও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

এছাড়া লেহ বিমানবন্দর এবং লাদাখে প্রবেশের বিভিন্ন গেটেও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বহন করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হবে।

শনিবার উপরাজ্যপাল বিনয় কুমার সাক্সেনা বলেন, দায়িত্বশীল পর্যটনের প্রসার ঘটানো এবং লাদাখের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য অক্ষুণ্ণ রাখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের পরিবেশ রক্ষায় সহযোগিতা করার এবং প্লাস্টিক ব্যবহার ও যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande