সিংহস্থ-২০২৮-এর প্রস্তুতিতে বড় পদক্ষেপ, শনিবার ইন্দোর-উজ্জ্বয়িনী গ্রিনফিল্ড করিডরের শিলান্যাস
ইন্দোর, ২০ জুন (হি.স.) : সিংহস্থ-২০২৮ মহাকুম্ভকে সামনে রেখে মধ্যপ্রদেশে পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। শনিবার সকালে ইন্দোর-উজ্জ্বয়িনী গ্রিনফিল্ড করিডরের শিলান্যাস করবেন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন ও আবাসনমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর এবং মধ্যপ্র
মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ড. মোহন যাদব।


ইন্দোর, ২০ জুন (হি.স.) : সিংহস্থ-২০২৮ মহাকুম্ভকে সামনে রেখে মধ্যপ্রদেশে পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। শনিবার সকালে ইন্দোর-উজ্জ্বয়িনী গ্রিনফিল্ড করিডরের শিলান্যাস করবেন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন ও আবাসনমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর এবং মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ড. মোহন যাদব। ইন্দোরের সাঁওভের বিধানসভা এলাকার চন্দ্রাবতীগঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের জলসম্পদমন্ত্রী তুলসীরাম সিলাওয়াটও।

জনসংযোগ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সিংহস্থ-২০২৮ উপলক্ষে এই প্রকল্পকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রায় ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের এই গ্রিনফিল্ড করিডর নির্মাণে ব্যয় হবে আনুমানিক ২,৯৩৫ কোটি টাকা। ইন্দোরের পিতৃ পর্বত এলাকা থেকে শুরু হয়ে এই রাস্তা উজ্জ্বয়িনীর চিন্তামণ গণেশ মন্দির সংলগ্ন সিংহস্থ বাইপাস পর্যন্ত পৌঁছবে।

করিডরটি চালু হলে ইন্দোর ও উজ্জ্বয়িনীর মধ্যে যাতায়াত আরও দ্রুত ও সহজ হবে। বিশেষ করে সিংহস্থ মেলায় লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর যাতায়াতে ব্যাপক সুবিধা মিলবে বলে প্রশাসনের আশা।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৯১৭ জন কৃষকের প্রায় ২৪২.৯৩৯ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে সরকার ৮১৬ কোটিরও বেশি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, প্রথমবারের মতো কৃষকদের জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত গাইডলাইন মূল্যের পরিবর্তে বাজারদরের ভিত্তিতে চার থেকে আট গুণ পর্যন্ত বেশি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যেও সন্তোষের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এই করিডরের মাধ্যমে ইন্দোর জেলার ২০টি এবং উজ্জ্বয়িনী জেলার ৮টি গ্রাম সরাসরি যুক্ত হবে। পাশাপাশি আশপাশের আরও ৪০ থেকে ৫০টি গ্রামের প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বাইরের রাজ্য থেকে আগত পুণ্যার্থীরাও বিমানবন্দর থেকে সরাসরি এই করিডর ধরে উজ্জ্বয়িনীতে পৌঁছতে পারবেন। ফলে সিংহস্থ চলাকালীন যানজট অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রশাসনের মতে, এই প্রকল্প শুধু সিংহস্থ মেলার পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করবে না, ইন্দোর-উজ্জ্বয়িনী অঞ্চলের শিল্প, বাণিজ্য ও পর্যটনের বিকাশেও নতুন গতি আনবে। মালবা অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নে এই করিডর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande