মাইবাং রেলওয়ে স্টেশনে ফুট ওভারব্রিজের দাবিতে সাড়া এনএফ রেল কর্তৃপক্ষের
হাফলং (অসম), ২০ জুন (হি.স.) : মাইবাং রেলওয়ে স্টেশনে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে আনুষ্ঠানিকভাবে সাড়া দিয়েছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে (এনএফ)-র লামডিং ডিভিশন, জানিয়েছেন অল ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (এডিএসইউ)-এর সভাপতি মাইরিং জহরি।
এডিএসইউ-এর সভাপতি মাইরিং জহরি


হাফলং (অসম), ২০ জুন (হি.স.) : মাইবাং রেলওয়ে স্টেশনে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে আনুষ্ঠানিকভাবে সাড়া দিয়েছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে (এনএফ)-র লামডিং ডিভিশন, জানিয়েছেন অল ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (এডিএসইউ)-এর সভাপতি মাইরিং জহরি।

মাইরিং জহরি জানান, চলতি বছর ২০২৬ সালের ৪ জুন অল ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন এই দাবির ভিত্তিতে একটি স্মারকপত্র জমা দিয়েছিল। স্মারকপত্র পেয়ে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের অধীন লামডিং ডিভিশনের পক্ষ থেকে সিনিয়র ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার তাঁকে এক পত্র মারফত জানিয়েছেন, বর্তমানে মাইবাং রেলওয়ে স্টেশনে দ্বিতীয় প্ল্যাটফর্ম নেই। তবে যাত্রীদের পারাপারের সুবিধার জন্য স্টেশনের কাছেই একটি রোড ওভারব্রিজ বিদ্যমান রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, দ্বিতীয় প্ল্যাটফর্ম এবং ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা নিয়ে বর্তমানে সমীক্ষা চলছে। পাশাপাশি এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব ইতিমধ্যেই প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়ার পর অনলাইন পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যয় নির্ধারণ ও টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

টেন্ডার চূড়ান্ত করতে প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে বলে উল্লেখ করে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সময়মতো অনুমোদন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ আংশিকভাবে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রেল কর্তৃপক্ষ অল ডিমাসা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন এবং সাধারণ জনগণকে কোনও ধরনের আন্দোলন বা প্রতিবাদী কৰ্মসূচি সংগঠিত না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, রেল বিভাগ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে সমাধান করার চেষ্টা করছে এবং ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়নি বলে রেলের পক্ষ থেকে প্রেরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে মাইবাঙে দীর্ঘদিন ধরে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রেলস্টেশনের এক পাশ থেকে অন্য পাশে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই দাবি বহু বছরের পুরনো। তবে এবার উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক অবস্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন এখন প্রশাসনিক অনুমোদন ও টেন্ডার প্রক্রিয়ার অগ্রগতির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande