কেরলমের স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে টানাপোড়েন অব্যাহত, ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে কাজে যোগ দিলেন ডা. কে. জে. রীনা
তিরুবনন্তপুরম, ২০ জুন (হি.স.) : কেরলমের স্বাস্থ্য পরিষেবা অধিকর্তা (ডিরেক্টর অব হেলথ সার্ভিসেস বা ডিএইচএস) পদকে ঘিরে প্রশাসনিক টানাপোড়েন শনিবারও অব্যাহত থাকল। কেরলম প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের (কেএটি) নির্দেশের ভিত্তিতে ডা. কে. জে. রীনা স্বাস্থ্য পরি
কেরলমের স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে টানাপোড়েন অব্যাহত, ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে কাজে যোগ দিলেন ডা. কে. জে. রীনা


তিরুবনন্তপুরম, ২০ জুন (হি.স.) : কেরলমের স্বাস্থ্য পরিষেবা অধিকর্তা (ডিরেক্টর অব হেলথ সার্ভিসেস বা ডিএইচএস) পদকে ঘিরে প্রশাসনিক টানাপোড়েন শনিবারও অব্যাহত থাকল। কেরলম প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের (কেএটি) নির্দেশের ভিত্তিতে ডা. কে. জে. রীনা স্বাস্থ্য পরিষেবা অধিকর্তার দফতরে কাজে যোগ দেন। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের নিযুক্ত ডা. ভি. মীনাক্ষীও আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কাজ শুরু করেছেন।

এদিন স্বাস্থ্য দফতরের সদর দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডা. রীনা জানান, তিনি সম্পূর্ণভাবে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ মেনেই কাজে যোগ দিয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে কেরলম হাই কোর্ট ভিন্ন কোনও নির্দেশ দিলে তা বিনা আপত্তিতে মেনে নেবেন।

তিনি বলেন, “আমি আদালতের রায়ের ভিত্তিতেই এখানে এসেছি। হাই কোর্ট যদি বলে আমি দায়িত্বে থাকতে পারব না, তাহলে আমি তা সানন্দে মেনে নেব। এই মুহূর্তে কেরলম প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আমাকে স্বাস্থ্য পরিষেবা অধিকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং আমি শুধু সেই নির্দেশই পালন করছি।”

সরকারের দাবি, আলাদা প্রশাসনিক নির্দেশ জারি না হলে তিনি দায়িত্বে থাকতে পারেন না— এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ডা. রীনা বলেন, বিষয়টি ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব ট্রাইব্যুনালের, তাঁর নয়।

তিনি বলেন, “আদালতের নির্দেশের ঊর্ধ্বে কোনও প্রশাসনিক জটিলতা আছে কি না, তা আমি জানি না। যিনি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করেছেন, তিনিই এর উত্তর দিতে পারবেন। আমার কাছে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। বিচারব্যবস্থা সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থাকে বলেই আমি বিশ্বাস করি এবং আদালতের নির্দেশ মেনে চলতে আমি সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

চলমান বিরোধের মধ্যে স্বাস্থ্য দফতরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হোক, তা তিনি চান না বলেও স্পষ্ট করেন ডা. রীনা।

তাঁর কথায়, “নির্দিষ্ট কোনও চেয়ারে বসার বিষয়ে আমার কোনও আগ্রহ নেই। বসার জন্য একটি জায়গা পেলেই আমি জমে থাকা ফাইল ও প্রশাসনিক কাজ শেষ করতে পারব। আমার লক্ষ্য কাজ সম্পূর্ণ করা, কোনও পদ দখল করা নয়। স্বাস্থ্য দফতর বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ের মধ্যে রয়েছে। এর স্বাভাবিক কাজ যেন কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, সেটাই চাই। আমি কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাই না।”

স্বাস্থ্য পরিষেবা অধিকর্তার পদ নিয়ে তৈরি হওয়া এই অচলাবস্থা এখনও কাটেনি। ডা. রীনা এবং ডা. মীনাক্ষী— দু'জনেই পৃথক আইনি ও প্রশাসনিক নির্দেশের ভিত্তিতে নিজেদের অবস্থানকে বৈধ বলে দাবি করছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande