

গুয়াহাটি, ২৮ জুন (হি.স.) : অসমের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরও উন্নত করে, আধুনিক ও ভবিষ্যতমুখী করে বিশ্বমানের চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ রবিবার মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল (জিএমসিএইচ) এবং প্রাগজ্যোতিষপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল (পিএমসিএইচ) পরিদর্শন করেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে জিএমসিএইচ-এ প্রস্তাবিত অত্যাধুনিক তিন হাজার শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। এই বৃহৎ প্রকল্পটি রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা, চিকিৎসা শিক্ষা এবং গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। পরিদর্শনের সময় চিকিৎসা শিক্ষা অধিকর্তা ডা. মনোজ চৌধুরী, জিএমসিএইচ-এর অধ্যক্ষ ডা. অচ্যুত বৈশ্য এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
এর পর মুখ্যমন্ত্রী প্রাগজ্যোতিষপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে নির্মীয়মাণ ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক ভবনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং নির্মাণসংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বিস্তৃত পর্যালোচনা বৈঠকেও অংশ নেন।
বৈঠকে নির্মাণকাজের অগ্রগতি, নির্ধারিত সময়ে ভবন হস্তান্তর, সীমানা প্রাচীর, শিক্ষক-ডাক্তার-আধিকারিকদের আবাসন, খেলার মাঠ নির্মাণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে গুণগত মান, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নির্ধারিত সময়সীমা কঠোরভাবে মেনে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং বিশ্বমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
বৈঠকে চিকিৎসা শিক্ষা অধিকর্তা ডা. মনোজ চৌধুরী, প্রাগজ্যোতিষপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. বসন্ত বৈশ্য সহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে আজ (রবিবার) দিশপুরে লোকসেবা ভবনে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জনকল্যাণ, সামগ্রিক উন্নয়ন এবং আত্মনির্ভরশীল অসম গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইতিবাচক মতবিনিময় করেছেন। রাজ্যের উন্নয়ন-যাত্রায় সরকার ও সমাজের সমন্বিত অংশীদারিত্বের ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস