শিলচরে দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে নাগরিক সমাজের মতবিনিময় অনুষ্ঠান, জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের দাবি
শিলচর (অসম), ২৮ জুন (হি.স.) : বরাক উপত্যকার সম উন্নয়নে শিলচরে দুই মন্ত্রী এবং শহরের বিশিষ্ট নাগরিকদের উপস্থিতিতে আয়োজিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠান। আজ রবিবার শিলচরের এক আভিজাত হোটেলের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বরাক উপত
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করছেন সাংসদ পরিমল শুক্লবৈদ্য


শিলচর (অসম), ২৮ জুন (হি.স.) : বরাক উপত্যকার সম উন্নয়নে শিলচরে দুই মন্ত্রী এবং শহরের বিশিষ্ট নাগরিকদের উপস্থিতিতে আয়োজিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠান।

আজ রবিবার শিলচরের এক আভিজাত হোটেলের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বরাক উপত্যকার সার্বিক অগ্রগতি ও জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন সম্পর্কে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। ইটারেকশন উইথ প্রমিনেন্ট সিটিজেনস শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ছিলেন দুই মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল ও মন্ত্রী কৌশিক রায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শিলচরের সাংসদ পরিমল শুক্লবৈদ্য, শিলচরের বিধায়ক ডা. রাজদীপ রায়, উধারবন্দের বিধায়ক রাজদীপ গোয়ালা, বড়খলার বিধায়ক কিশোর নাথ, কাটিগড়ার বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ, সোনাইয়ের বিধায়ক আমিনুল হক লস্কর এবং ধলাইয়ের বিধায়ক অমিয়কান্তি দাস।

অনুষ্ঠানে শিলচরের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, ক্রীড়া সংগঠক ও সমাজকর্মীরা উপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের সামনে এতদঞ্চলের একাধিক সমস্যা তুলে ধরেন। আলোচনায় বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে কৃত্রিম বন্যা, জমা জলের সমস্যা, জাতীয় সড়কের বিধ্বস্ত অবস্থা, নদী ভাঙনের জেরে প্রতিবছর বরাক নদীর বন্যায় ফসলের ক্ষতি। এগুলির স্থায়ী সমাধানের দাবি তুলেছেন নাগিরকরা।

এছাড়া যুব সমাজের কর্মসংস্থানের অভাব ও ক্রীড়া পরিকাঠামোর অপ্রতুলতা, শিলচর শহরের জলনিকাশি ব্যবস্থা, যানজট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা, শিক্ষা ও সংষ্কৃতির অপ্রতুলতাও মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আলোচনায় স্থান পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে কাছাড়ের অভিভাবক মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল সকলের সমস্ত বক্তব্য ধৈর্য সহকারে শুনে বলেন, আলোচনায় যে গণ-দাবিগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলির একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করে মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মার হাতে দেওয়া হবে। কেননা বরাক উপত্যকার সমউন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার।

মন্ত্রী কৌশিক রায় বলেন, উন্নয়নের জন্য সরকার আন্তরিক। কিন্তু উন্নয়নের সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিতে হবে। এজন্য জনগণকে আরও সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। সরকারি প্রকল্পে কোন অনিয়ম নজরে এলে সরাসরি প্রশাসনকে জানানোর আবেদন জানান তিনি।

সাংসদ পরিমল শুক্লবৈদ্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি কাছাড়ে দ্রুত রূপায়ণের ওপর জোর দিয়েছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা দাস




 

 rajesh pande