স্কুলের জায়গা দখল মুক্ত করল পড়ুয়ারা
ক্যানিং, ২৯ জুন (হি. স.): এলাকার তৃণমূল নেতারা জোর করে স্কুলের জমি দখল করে নিয়েছিলেন। মোটা টাকায় সেই জমি বিক্রিও করেছিলেন। সেখানেই গড়ে ওঠে বেশ কিছু দোকানপাট। বার বার এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে জানালেও কোনও সুরাহা হয়নি। তবে এবার সেই জমিই স্কুলের পড়ুয়ারা
স্কুলের জায়গা দখল মুক্ত করল পড়ুয়ারা


ক্যানিং, ২৯ জুন (হি. স.): এলাকার তৃণমূল নেতারা জোর করে স্কুলের জমি দখল করে নিয়েছিলেন। মোটা টাকায় সেই জমি বিক্রিও করেছিলেন। সেখানেই গড়ে ওঠে বেশ কিছু দোকানপাট। বার বার এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে জানালেও কোনও সুরাহা হয়নি। তবে এবার সেই জমিই স্কুলের পড়ুয়ারা নিজেদের উদ্যোগে দখল মুক্ত করল। ভাংচুর করল দোকানগুলিতে। ক্যানিংয়ের রায়বাঘিনী স্কুলের ঘটনা।

সূত্রের খবর, এই স্কুলের খেলার মাঠের বেশ খানিকটা জায়গা কয়েক বছর আগে এলাকার তৃণমূল নেতারা জোর করে দখল করে বিক্রি করে দিয়েছিলেন। সেখানে গড়ে উঠেছিল নানা ধরনের দোকানপাট। এ বিষয়ে তৎকালীন সময়ে স্কুলের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও কোনও লাভ হয়নি। উল্টে স্কুলের জায়গা উদ্ধারের জন্য যে সমস্ত শিক্ষকরা পড়ুয়াদের নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন তাঁদেরকে নানা ভাবে হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগ ছিল স্কুলের এই জায়গা এলাকার যুব তৃণমূল নেতা জয়ন্ত ঘোড়ইয়ের নেতৃত্বে দখল করা হয়েছিল। তার ভয়েই কার্যত এতদিন এই জমি পুনুরুদ্ধার করা এতদিন সম্ভব হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের। কিন্তু সরকার পরিবর্তন হতেই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন ওই যুব তৃণমূল নেতা। আর সেই সুযোগে স্কুলের জমিতে গড়ে ওঠা দোকানপাট ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল স্কুল পড়ুয়ারা। সোমবার দুপুরে স্কুলের একদল ছাত্র লাঠি, বাঁশ দিয়ে এই দোকানগুলিতে ভাংচুর চালায়। স্কুলের জায়গা দখল মুক্ত করে তারা।

যদিও এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক থেকে শুরু করে অন্যান্য শিক্ষকরা মুখ খুলতে চাননি। স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র সঞ্জীব নাইয়া, বিকাশ মণ্ডলরা বলে, “ আমাদের স্কুলের জমি জোর করে দখল করে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা সেই জমি পুরুরুদ্ধার করলাম।” বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সমীর মণ্ডল বলেন, “ তৃণমূলের নেতারা কোন কিছুই ছাড়েন নি। সরকারি জমির পাশাপাশি এভাবে স্কুলের জমিও দখল করেছিলেন। প্রশাসনকে হাটের পুতুল করে রেখেছিলেন। ফলে সেই সময় স্কুলের প্রতিবাদেও কাজ হয়নি। আজ স্কুলের পড়ুয়ারা নিজেদের স্কুলের জমিকে দখল মুক্ত করেছে।” যদিও তৃণমূলের কেউই এ প্রসঙ্গে মুখ খোলেন নি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande