লোধাশুলিতে জাতীয় সড়কের ধারে উচ্ছেদ অভিযান, ভেঙে ফেলা হল প্রায় ১৫০টি ফুটপাতের দোকান
ঝাড়গ্রাম, ২৯ জুন (হি.স.) : নোটিশের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হতেই জাতীয় সড়কের ধারে গড়ে ওঠা ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদে নামল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকাল থেকে ঝাড়গ্রাম জেলার লোধাশুলি এলাকায় ৪৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা একের পর এক দোকান বুলডো
লোধাশুলিতে জাতীয় সড়কের ধারে উচ্ছেদ অভিযান, ভেঙে ফেলা হল প্রায় ১৫০টি ফুটপাতের দোকান


ঝাড়গ্রাম, ২৯ জুন (হি.স.) : নোটিশের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হতেই জাতীয় সড়কের ধারে গড়ে ওঠা ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদে নামল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকাল থেকে ঝাড়গ্রাম জেলার লোধাশুলি এলাকায় ৪৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা একের পর এক দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। আচমকা জীবিকার একমাত্র সম্বল হারিয়ে হতাশায় ভেঙে পড়েন বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

জানা গিয়েছে, প্রায় ছয় মাস আগে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ লোধাশুলির ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য নোটিশ জারি করেছিল। সেই নোটিশের মেয়াদ শেষ হয় রবিবার। এরপর সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লোধাশুলি জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১৫০টি ছোট-বড় দোকান রয়েছে। এই অভিযানের ফলে বহু পরিবার জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। আগামী দিনে সংসার কীভাবে চলবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা।

এদিকে কয়েকদিন আগে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী রাজেশ মাহাত। তিনি জানিয়েছিলেন, লোধাশুলি এলাকায় জেলা পরিষদের জমিতে উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের জন্য স্টল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, প্রস্তাবিত জমিটি জাতীয় সড়ক থেকে অনেকটাই ভিতরে হওয়ায় সেখানে বাস বা অন্যান্য যানবাহনের যাতায়াত নেই। ফলে ওই জায়গায় ব্যবসা করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, জাতীয় সড়ক থেকে প্রায় ৩০ মিটার দূরে থাকা ড্রেনের উপর কংক্রিটের ঢালাই করে ছোট ছোট স্থায়ী স্টল নির্মাণ করা হলে তাঁরা সেখানেই ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

চায়ের দোকানদার সমরেশ খাড়ুয়া বলেন, “মন্ত্রী জানিয়েছেন জেলা পরিষদের জমিতে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু আমাদের দাবি, জাতীয় সড়কের কাছেই ড্রেনের উপর কংক্রিটের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে ছোট ছোট স্টল ভাড়ায় দেওয়া হোক। এই দোকানের উপরেই আমার পরিবারের জীবিকা নির্ভর করে। তাই সরকার যেন বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিবেচনা করে।”

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande