অভিভাবক-মন্ত্রী কৌশিকের কড়া নির্দেশে তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে শ্রীভূমি পুরপৰ্ষদ
শহরের জলাবদ্ধতা দূর করতে ব্রজেন্দ্র রোডে জোরদার উচ্ছেদ অভিযান, চারটি জেসিবি নিয়ে মাঠে প্রশাসন শ্রীভূমি (অসম), ৩০ জুন (হি.স.) : শহরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে অভিভাবক-মন্ত্রী কৌশিক রায়ের কড়া নির্দেশের পর তাৎক্ষণিকভাবে
শ্রীভূমি শহরে উচ্ছেদ অভিযান পুর প্ৰশাসনের


শহরের জলাবদ্ধতা দূর করতে ব্রজেন্দ্র রোডে জোরদার উচ্ছেদ অভিযান, চারটি জেসিবি নিয়ে মাঠে প্রশাসন

শ্রীভূমি (অসম), ৩০ জুন (হি.স.) : শহরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে অভিভাবক-মন্ত্রী কৌশিক রায়ের কড়া নির্দেশের পর তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাকশনে নেমেছে শ্রীভূমি পুরপর্ষদ এবং জেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্রজেন্দ্র রোড এলাকায় ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েথে। পুর এবং সাধারণ প্রশাসনের অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর ডিএসপি। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে।

অভিযানে চারটি এক্সক্যাভ্যাটর (জেসিবি) একযোগে কাজে নামানো হয়। রাস্তার দু-পাশে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা অবৈধ দখল, নিকাশি নালার ওপর নির্মিত স্থাপনা, জলনিকাশি ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টিকারী বিভিন্ন অবৈধ কাঠামো এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এ সব অবৈধ দখল ও নির্মাণের জন্যই বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জল জমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

জানা গেছে, গতকাল সোমবার জেলার অভিভাবক-মন্ত্রী কৌশিক রায়ের পৌরোহিত্য অনুষ্ঠিত উন্নয়ন ও পর্যালোচনা বৈঠকে শহরের জলাবদ্ধতা, নিকাশি ব্যবস্থা এবং রাস্তার ওপর অবৈধ দখল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেই বৈঠকেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন মন্ত্রী কৌশিক। এর পরই পুরপর্ষদ, জেলার সাধারণ ও পুলিশ প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির সমন্বয়ে আজকের বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

অভিযান চলাকালীন ব্রজেন্দ্র রোড এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়, যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। সেজন্য পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যরা গোটা এলাকা ঘিরে রাখেন। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পুরপর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরের প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ ও নিকাশি ব্যবস্থা সচল রাখাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। জলনিকাশির পথ দখলমুক্ত করা গেলে বর্ষার সময় জল জমার সমস্যা অনেকাংশে কমবে বলে পুর প্রশাসনের আশা। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে এবং নতুন করে কেউ সরকারি জমি বা নালা দখল করলে সংশ্লিষ্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা দাস




 

 rajesh pande