অনাথ আশ্রমে ঢোকার চেষ্টা দলছুট হাতির আতঙ্কে রাত কাটছে শিশুদের
ঝাড়গ্রাম, ৪ জুন (হি.স.) : রাত নামলেই তীব্র হুঙ্কারে কেঁপে উঠছে গোটা আশ্রম চত্বর। দলছুট একটি দাঁতাল হাতির উৎপাত ঘিরে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন শালবনী এলাকার একটি অনাথ আশ্রমের আবাসিকরা। বুধবার রাতভর আশ্রমের শিশু ও কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে
অনাথ আশ্রমে ঢোকার চেষ্টা দলছুট হাতির আতঙ্কে রাত কাটছে শিশুদের


ঝাড়গ্রাম, ৪ জুন (হি.স.) : রাত নামলেই তীব্র হুঙ্কারে কেঁপে উঠছে গোটা আশ্রম চত্বর। দলছুট একটি দাঁতাল হাতির উৎপাত ঘিরে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন শালবনী এলাকার একটি অনাথ আশ্রমের আবাসিকরা। বুধবার রাতভর আশ্রমের শিশু ও কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, যখন হাতিটি আশ্রমে ঢোকার চেষ্টা চালায়।

বৃহস্পতিবার বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আশ্রম চত্বর ঘিরে থাকা বৈদ্যুতিক ফেন্সিংয়ের তারের বেড়া ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে হাতিটি। ফেন্সিংয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পরও পিছু না হটে বরং আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সে। দাঁত দিয়ে তারের বেড়া উপড়ে ফেলার চেষ্টাও করে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত এক সপ্তাহ ধরে দলছুট হাতিটি জিতুশোল, শালবনী ও বিকাশভারতী এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। ফলে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে একটি শাবক-সহ তিনটি হাতির দল ওই অনাথ আশ্রমে ঢুকে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছিল। আশ্রমের সবজি বাগান নষ্ট করার পাশাপাশি শিশুদের জন্য মজুত থাকা তিন বস্তা মুড়ি ও আলুর বস্তা টেনে বাইরে বের করে খেয়েছিল। সেই সময় আশ্রমের একটি পাঁচিলও ভেঙে দেয় হাতির দল। ওই ঘটনার পর বনদফতরের উদ্যোগে আশ্রম চত্বরের চারদিকে বৈদ্যুতিক ফেন্সিং বসানো হয়।

অনাথ আশ্রমের হাউস ফাদার দীপক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “গত কয়েকদিন ধরে হাতিটি এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। রাত হলেই আশ্রমে ঢোকার চেষ্টা করছে। বৈদ্যুতিক ফেন্সিংয়ে ধাক্কা খাওয়ার পর যেন আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। হুলা পার্টির আগুন বা পটকার শব্দেও সহজে সরে যাচ্ছে না।”

পরে বনদফতরের হুলা পার্টির সদস্যরা দীর্ঘ চেষ্টার পর হাতিটিকে আশ্রম সংলগ্ন এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। তবে হাতিটি এখনও এলাকায় ঘোরাফেরা করায় আশ্রমের শিশু ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ কাটেনি।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande