
কলকাতা, ৪ জুন (হি. স)। বৃষ্টিতে মর্মান্তিক ঘটনা। বজ্রপাতের কারণে উত্তরবঙ্গে ৩ জেলায় মৃত ৭। একই জেলায় মারা গেলেন চার জন।
এর মধ্যে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারিতে বজ্রপাতের কারণে একই পরিবারের ৩ জন মারা গিয়েছেন। তপনে মারা গিয়েছেন এক বধূ। মুর্শিদাবাদ জেলায় ২ জন মারা গিয়েছেন। জলপাইগুড়িতেও মারা গিয়েছেন এক জন।
বিকেল সাড়ে ৪টা নাগাদ আচমকা ঝড় ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি শুরু হয়। সেই সময়ে বজ্রঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বিশ্বনাথ সরকার (৩৮), তাঁর স্ত্রী পুষ্পা সরকার (৩০) এবং মেয়ে নন্দিতা সরকার (১১)। স্থানীয় বাসিন্দারা তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে বদলপুর এবং পরে বংশীহারী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বংশীহারী থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলের বৃষ্টিতেই বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয় তপনের এক বধূর। মৃতার নাম সন্ধ্যা রায় (৪০)। তিনি তপন থানার বাসুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাড়পুকুর এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন বিকেলে মাঠ থেকে মাথায় খড় নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন সন্ধ্যা দেবী। সেই সময়ে বজ্রাঘাতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। বাড়ির লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে তপন গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত