ডিমা হাসাওয়ে দুর্যোগ-সহনশীল সড়ক উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ উকাপা স্বশাসিত পরিষদের
গুয়াহাটি, ৪ জুন (হি.স.) : পাহাড়ি অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী ও দুর্যোগ-সহনশীল করে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত আসাম ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্ট হিল রোডস ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট-এর উদ্বোধনী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছে উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ।
ডিমা হাসাওয়ে দুর্যোগ-সহনশীল সড়ক উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ উকাপা স্বশাসিত পরিষদের


গুয়াহাটি, ৪ জুন (হি.স.) : পাহাড়ি অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী ও দুর্যোগ-সহনশীল করে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত আসাম ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্ট হিল রোডস ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট-এর উদ্বোধনী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছে উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ।

গুয়াহাটিতে আসাম অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ স্টাফ কলেজে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালায় রাজ্য সরকার, বিশ্বব্যাংক এবং বিভিন্ন দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইএপি বিভাগের সচিব ড. জীবন বি, উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য মনজয় লাংথাসা, বিশ্বব্যাংক, আসাম পাবলিক ওয়ার্কস (রোডস বিভাগ), রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন পরামর্শদাতা সংস্থা, নির্মাণ সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অংশীদাররাও উপস্থিত ছিলেন কর্মশালায়।

কর্মশালায় অসমের পাহাড়ি জেলাগুলিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের কৌশল, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয় জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব মোকাবিলায় টেকসই সড়ক পরিকাঠামো নির্মাণের ওপর।

মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মার নেতৃত্ব এবং উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য দেবোলাল গার্লোসার দিগনির্দেশনায় প্রকল্পটির আওতায় ডিমা হাসাও জেলার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক করিডোরে প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার রাস্তার উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ করা হবে। এ সব সড়ককে এমনভাবে নির্মাণ করা হবে যাতে ভূমিধস, অতিবৃষ্টি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল থাকে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জেলার দুর্গম এলাকাগুলির সঙ্গে স্বাস্থ্যকেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার এবং সরকারি পরিষেবার যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে। এর ফলে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উত্তর কাছাড় স্বশাসিত পরিষদ প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। পরিষদের প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগের জন্য অসম সরকার, বিশ্বব্যাংক, পাবলিক ওয়ার্কস (রোডস বিভাগ) এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এডিআরএইচআরডিপি প্রকল্প ডিমা হাসাওয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জেলার টেকসই পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

ডিমা হাসাওয়ে দুর্যোগ-সহনশীল সড়ক উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ উকাপা স্বশাসিত পরিষদের

গুয়াহাটি, ৪ জুন (হি.স.) : পাহাড়ি অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী ও দুর্যোগ-সহনশীল করে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত আসাম ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্ট হিল রোডস ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট-এর উদ্বোধনী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছে উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ।

গুয়াহাটিতে আসাম অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ স্টাফ কলেজে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালায় রাজ্য সরকার, বিশ্বব্যাংক এবং বিভিন্ন দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইএপি বিভাগের সচিব ড. জীবন বি, উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য মনজয় লাংথাসা, বিশ্বব্যাংক, আসাম পাবলিক ওয়ার্কস (রোডস বিভাগ), রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন পরামর্শদাতা সংস্থা, নির্মাণ সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অংশীদাররাও উপস্থিত ছিলেন কর্মশালায়।

কর্মশালায় অসমের পাহাড়ি জেলাগুলিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের কৌশল, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয় জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব মোকাবিলায় টেকসই সড়ক পরিকাঠামো নির্মাণের ওপর।

মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মার নেতৃত্ব এবং উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য দেবোলাল গার্লোসার দিগনির্দেশনায় প্রকল্পটির আওতায় ডিমা হাসাও জেলার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক করিডোরে প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার রাস্তার উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ করা হবে। এ সব সড়ককে এমনভাবে নির্মাণ করা হবে যাতে ভূমিধস, অতিবৃষ্টি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল থাকে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জেলার দুর্গম এলাকাগুলির সঙ্গে স্বাস্থ্যকেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার এবং সরকারি পরিষেবার যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে। এর ফলে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উত্তর কাছাড় স্বশাসিত পরিষদ প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। পরিষদের প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগের জন্য অসম সরকার, বিশ্বব্যাংক, পাবলিক ওয়ার্কস (রোডস বিভাগ) এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এডিআরএইচআরডিপি প্রকল্প ডিমা হাসাওয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জেলার টেকসই পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande