লাগামছাড়া বালির দামে রাশ টানতে প্রশাসনের উদ্যোগ, ট্র্যাক্টর পিছু মূল্য নির্ধারণ ১,২০০ টাকা
ঝাড়গ্রাম, ৪ জুন (হি.স.) : দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়গ্রাম জেলায় বালির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়ছিলেন সাধারণ মানুষ। বাড়ি নির্মাণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অতিরিক্ত দামে বালি কিনতে বাধ্য হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছিল ক্রেতাদের মধ্যে। এই পর
লাগামছাড়া বালির দামে রাশ টানতে প্রশাসনের উদ্যোগ, ট্র্যাক্টর পিছু মূল্য নির্ধারণ ১,২০০ টাকা


ঝাড়গ্রাম, ৪ জুন (হি.স.) : দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়গ্রাম জেলায় বালির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়ছিলেন সাধারণ মানুষ। বাড়ি নির্মাণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অতিরিক্ত দামে বালি কিনতে বাধ্য হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছিল ক্রেতাদের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে বালির দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্যোগী হল জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম জেলা কালেক্টরেটে জেলার বিভিন্ন বালি খাদান মালিকদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো ও অমিয় কিস্কু, বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। বালি ব্যবসার বর্তমান পরিস্থিতি, বাজারদর এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার বিভিন্ন এলাকায় এক ট্র্যাক্টর বালি চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছিল। ফলে সাধারণ মানুষ, ক্ষুদ্র ঠিকাদার ও গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের বাড়তি আর্থিক চাপের মুখে পড়তে হচ্ছিল। এ নিয়ে প্রশাসনের কাছে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে।

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে খাদান মালিকদের সঙ্গে আলোচনার পর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ জানান, খাদান থেকে এক ট্র্যাক্টর বালির মূল্য ১,২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে পরিবহণ খরচ আলাদাভাবে যুক্ত হবে।

তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা এবং নির্মাণ সামগ্রীর বাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে।”

প্রশাসনের এই পদক্ষেপে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নির্মাণ শিল্প ও গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande