বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও চক্রাকার অর্থনীতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ১২ দফা প্রস্তাব অধ্যাপক সাধন কুমার ঘোষের
​কলকাতা, ৪ জুন (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং চক্রাকার অর্থনীতির (সার্কুলার ইকোনমি) ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে ‘ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এয়ার অ্যান্ড ওয়াটার’ । এই সংস্থার সভাপতি অধ্যাপক সাধন কুমার ঘোষ
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও চক্রাকার অর্থনীতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ১২ দফা প্রস্তাব অধ্যাপক সাধন কুমার ঘোষের


​কলকাতা, ৪ জুন (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং চক্রাকার অর্থনীতির (সার্কুলার ইকোনমি) ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে ‘ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এয়ার অ্যান্ড ওয়াটার’ । এই সংস্থার সভাপতি অধ্যাপক সাধন কুমার ঘোষ এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে একটি ৪ পাতার চিঠি পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রেস ক্লাব কলকাতায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে অধ্যাপক ঘোষ এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

​তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতির জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি, পরামর্শমূলক ভূমিকা এবং নিরন্তর প্রচার কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার সুবাদেই এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে মোট ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, যা টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গকে শিল্প ও পর্যটনের ক্ষেত্রে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে।

​প্রথম প্রস্তাবনায় কলকাতা, হাওড়া, দুর্গাপুর-আসানসোল এবং শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়িতে মোট ৪টি বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করার কথা বলা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলি থেকে ৮৫ মেগাওয়াট থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এর ফলে প্রায় ৭০ শতাংশ বর্জ্য হ্রাস পাবে এবং ১০০০ জন যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সর্বোপরি, এটি একটি দূষণমুক্ত চক্রাকার অর্থনৈতিক সমাজ গঠনে সহায়তা করবে।

​দ্বিতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুসারে চিঠিতে ২ থেকে ৬ নম্বর প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাবনাগুলিতে মূলত বহুতল আবাসিক কমপ্লেক্সগুলিতে বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, নিষ্কাশন এবং শোধনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সামগ্রিক পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি সংরক্ষণ, নির্মাণ ও ধ্বংসাবশেষ (সি অ্যান্ড ডি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং টলিনালা (আদি গঙ্গা) পরিষ্কার, সুসজ্জিত ও পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তাব, যা পর্যটন ও পরিবেশবান্ধব ভ্রমণের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande