৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফের বড় সাফল্য, ডিসি পাড়ায় অভিযান চালিয়ে বিপুল গাঁজা ও এসকফ সিরাপ উদ্ধার
মোহনপুর (ত্রিপুরা), ৪ জুন (হি.স.) : নেশা বিরোধী অভিযানে ফের বড় সাফল্য পেল পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সিধাই থানার পুলিশ। গত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো মোহনপুর মহকুমা পুলিশ প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে। এবার সিধাই থানার
নেশা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত


মোহনপুর (ত্রিপুরা), ৪ জুন (হি.স.) : নেশা বিরোধী অভিযানে ফের বড় সাফল্য পেল পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সিধাই থানার পুলিশ। গত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো মোহনপুর মহকুমা পুলিশ প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে। এবার সিধাই থানার অন্তর্গত ডিসি পাড়া এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১১ কেজি গাঁজা এবং ২২০ বোতল এসকফ সিরাপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত নেশা সামগ্রীর আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য তিন লক্ষ টাকা বলে জানিয়েছেন মোহনপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) আশিস দাশগুপ্ত।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিসি পাড়া এলাকার একটি বাড়িতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন মোহনপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আশিস দাশগুপ্ত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিধাই ও লেফুঙ্গা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এছাড়াও অভিযানে অংশ নেয় বিএসএফ-র ১০৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ান, সিআরপিএফ-র ১২৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের সদস্যরা এবং প্রশাসনের জনৈক নির্বাহী আধিকারিক।

দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ২২০ বোতল নিষিদ্ধ কফ সিরাপ ‘এসকফ’ এবং প্রায় ১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে অভিযানের সময় বাড়ির মালিক পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসডিপিও আশিস দাশগুপ্ত জানান, উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের কালোবাজারি মূল্য আনুমানিক তিন লক্ষ টাকার কাছাকাছি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন (এনডিপিএস অ্যাক্ট) অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত অভিযুক্তের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, মাত্র ৭২ ঘণ্টা আগেই গত ১ জুন গভীর রাতে মোহনপুরের রবীন্দ্রপল্লী এলাকার একটি বাড়িতে আশিস দাশগুপ্তের নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে প্রায় চার লক্ষ টাকা মূল্যের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছিল। পরপর দুটি সফল অভিযানে মোহনপুর মহকুমায় সক্রিয় মাদক চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

পুলিশের দাবি, মাদক কারবারের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান আগামী দিনে আরও জোরদার করা হবে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি মাদক পাচার ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার কাজ অব্যাহত থাকবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande