আহত শ্রমিকের পাশে শ্রম দফতর, জিবিপি হাসপাতালে খোঁজ নিলেন শ্রমমন্ত্রী টিংকু রায়
আগরতলা, ৪ জুন (হি.স.) : দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার সাব্রুমে একটি মিষ্টির দোকানে কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া বহিঃরাজ্যের শ্রমিকের চিকিৎসার খোঁজ নিতে বৃহস্পতিবার আগরতলায় জিবিপি হাসপাতালে যান শ্রমমন্ত্রী টিংকু রায়। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন শ্
হাসপাতালে গেলেন মন্ত্রী টিংকু রায়


আগরতলা, ৪ জুন (হি.স.) : দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার সাব্রুমে একটি মিষ্টির দোকানে কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া বহিঃরাজ্যের শ্রমিকের চিকিৎসার খোঁজ নিতে বৃহস্পতিবার আগরতলায় জিবিপি হাসপাতালে যান শ্রমমন্ত্রী টিংকু রায়। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন শ্রম দফতরের অধিকর্তা বিনয় দাস।

জানা গেছে, কিছুদিন আগে সাব্রুমের একটি মিষ্টির দোকানে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত গরম তেল শ্রমিকের শরীরে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় তাঁর শরীরের প্রায় অর্ধেক অংশ দগ্ধ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে আগরতলায় জিবিপি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর থেকেই চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তাঁর চিকিৎসা চলছিল।

বৃহস্পতিবার হাসপাতালে গিয়ে আহত শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলেন শ্রমমন্ত্রী। চিকিৎসকদের কাছ থেকেও তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত দুর্ঘটনার খবর তাঁর নজরে আসার পরই তিনি শ্রম দফতরকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

মন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা রাজ্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর শ্রম দফতর আহত শ্রমিকের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে। শ্রম দফতরের সহযোগিতা এবং চিকিৎসকদের নিরলস প্রচেষ্টায় বর্তমানে ওই শ্রমিকের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রায় এক মাস ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর আহত শ্রমিক এখন অনেকটাই সুস্থ। চিকিৎসকদের মতে, আগামী ১৫- ২০ দিনের মধ্যে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। শ্রমিকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিধি আরও কঠোরভাবে মেনে চলার প্রয়োজন রয়েছে।

এদিনের এই মানবিক উদ্যোগে আহত শ্রমিকের পরিবারের সদস্যরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শ্রম দফতরের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande