দহিজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ, পঞ্চায়েত সচিবকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া
ঝাড়গ্রাম, ৫ জুন (হি.স.) : টেন্ডার দুর্নীতি, একশো দিনের কাজের টাকা তছরুপ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দহিজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার ঝাড়গ্রাম জেলার দহিজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত কার
দহিজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ, পঞ্চায়েত সচিবকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া


ঝাড়গ্রাম, ৫ জুন (হি.স.) : টেন্ডার দুর্নীতি, একশো দিনের কাজের টাকা তছরুপ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দহিজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার ঝাড়গ্রাম জেলার দহিজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

অভিযোগ, বিক্ষোভ চলাকালীন পঞ্চায়েতের সচিব মদন মোহন মুদিকে অফিসের বাইরে নিয়ে এসে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিক্ষোভকারীদের একাংশ তাঁর দিকে ডিম ছুড়েও প্রতিবাদ জানান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এলাকায় একাধিক সরকারি প্রকল্পের কাজ বাস্তবে সম্পন্ন না হলেও সেই কাজের নামে সরকারি অর্থ তোলা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তৃণমূলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে যোগসাজশ করে পঞ্চায়েত সচিব বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা প্রশান্ত পাল ও ঝর্ণা দাসের অভিযোগ, সাবমার্সিবল পাম্প বসানো, আবাস যোজনার অর্থ বণ্টন, একশো দিনের কাজ এবং লোধা-শবর সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ অর্থের ক্ষেত্রেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন বিনপুর থানার আইসির বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন কয়েকজন বাসিন্দা।

অভিযোগের জবাবে পঞ্চায়েত সচিব মদন মোহন মুদি বলেন, “যে সমস্ত তথ্য বা নথি চাওয়া হচ্ছে, তা আমি দিয়ে দেব। কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।” সাবমার্সিবল পাম্প সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, পর্যাপ্ত পাম্প না পাওয়ায় সব এলাকায় তা বসানো সম্ভব হয়নি।

একশো দিনের কাজ বা অন্যান্য দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না। উপর মহল থেকে নির্দেশ রয়েছে।”

অন্যদিকে, গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক রাজেশ সাউ জানান, “আমি সম্প্রতি এখানে দায়িত্ব নিয়েছি। আগে কী হয়েছে, সে বিষয়ে আমার জানা নেই। পঞ্চায়েতের মাধ্যমে যে কাজ হয়েছে তার তথ্য ওয়েবসাইটে রয়েছে। তবে ব্লক প্রশাসন বা জেলা পরিষদের মাধ্যমে হওয়া টেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য আমাদের কাছে নেই।”

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগগুলির তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande