
কলকাতা, ১৬ জুলাই (হি স)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ব্যাপক প্রশংসা করলেন মমতা-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন মন্ত্রী তথা অবসরপ্রাপ্ত আমলা মণীশ গুপ্ত। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিবের কথায়, ‘‘এখন যিনি মুখ্যমন্ত্রী, শুভেন্দু অধিকারী, তিনি অত্যক্ষ দক্ষ প্রশাসক। আশা করি, বাংলাকে তিনি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।”
তবে কি দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূলের চেয়ারম্যান মণীশ গুপ্ত এবার পদ্ম শিবিরে, বা বিরোধী গোষ্ঠীতে পা রাখবেন? এই প্রশ্ন ভাসতে শুরু করেছে।
ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের হতশ্রী ফলাফলের পর দল কার্যত ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। ‘বিদ্রোহ’ করে তৃণমূল ছেড়ে অখ্যাত এনসিপিআই দলে ভিড়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ২০ জন সাংসদ। তারপরই কাকলি ঘোষ দস্তিদার ৩৩ বছর আগের যুব কংগ্রেসের বিক্ষোভে মণীশ গুপ্তর নির্দেশে চলা গুলিতে ১৩ জন শহিদের মৃত্যুর পর কেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত ছাড়া তৃণমূলে স্থান দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে তিনি চিঠি লিখে মণীশ গুপ্তর বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেই ২১ জুলাইয়ের ‘কলঙ্কিত’ নায়ক এবারও সেই শহিদ দিবসের আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়লেন।
বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে মণীশ গুপ্ত জানান, তৃণমূলে তাঁর আর কিছু করার নেই। তাই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত। যদিও তিনি বিজেপি অথবা দলের অন্য শিবিরে যাওয়ার কথায় না গিয়ে অবসরের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের খবর, ক্ষমতার অলিন্দে থাকার জন্য মণীশবাবু প্রয়োজনে শিবির বদলাতে পারেন।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত