নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ‘সোশ্যাল চেঞ্জমেকার্স অ্যাওয়ার্ড’ পেল ইনোভেল এনার্জি
​কলকাতা, ১৭ জুলাই (হি. স.): নবায়নযোগ্য (পুনর্নবীকরণযোগ্য) শক্তির ক্ষেত্রে পূর্ব ভারতের অন্যতম অগ্রণী সংস্থা ইনোভেল এনার্জি প্রাইভেট লিমিটেডকে ‘সোশ্যাল চেঞ্জমেকার্স অ্যাওয়ার্ড’-এ সম্মানিত করল অ্যাসোচ্যাম। ‘বিকশিত বাংলা, বিকশিত ভারত’ শীর্ষক সপ্তম ‘এন
আ্যসোচেম উদ্যোগ


​কলকাতা, ১৭ জুলাই (হি. স.): নবায়নযোগ্য (পুনর্নবীকরণযোগ্য) শক্তির ক্ষেত্রে পূর্ব ভারতের অন্যতম অগ্রণী সংস্থা ইনোভেল এনার্জি প্রাইভেট লিমিটেডকে ‘সোশ্যাল চেঞ্জমেকার্স অ্যাওয়ার্ড’-এ সম্মানিত করল অ্যাসোচ্যাম। ‘বিকশিত বাংলা, বিকশিত ভারত’ শীর্ষক সপ্তম ‘এনার্জি মিট ২০২৬ অ্যান্ড এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে সংস্থাটিকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, শিল্পপতি এবং নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও জ্বালানি পরিকাঠামোর ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন।

​‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফ্ত বিজলি যোজনা’-র আওতায় গৃহস্থালি স্তরে সৌরবিদ্যুতের প্রসার এবং বাণিজ্যিক ও শিল্প ক্ষেত্রে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেওয়ার জন্য ইনোভেল এনার্জিকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।

​এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন এবং কৃষি বিপণন, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী অশোক দিন্দা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন জানান, পর্যায়ক্রমে রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে সৌরবিদ্যুৎ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবস্থার প্রসার ঘটানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী অশোক দিন্দা রাজ্যে শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে রাজ্য সরকারের অঙ্গীকার ও সক্রিয়তার কথা তুলে ধরেন।

​এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গ্রহণ করে ইনোভেল এনার্জির সিইও পার্থপ্রতিম চট্টোপাধ্যায় বলেন, “টেকসই উন্নয়ন এখন আর কোনও বিকল্প নয়, এটি আমাদের দায়িত্ব।” তিনি জানান, গত ২৫ বছরে তাঁদের সংস্থা আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে আড়াই লক্ষেরও বেশি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে। আগামী দিনেও কার্বন নিঃসরণ কমানো, বিদ্যুতের খরচ হ্রাস এবং পরিচ্ছন্ন শক্তির প্রসারে সংস্থার এই অগ্রণী ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande