বারাসাত পৌরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, জেলা শাসকের দ্বারস্থ বিধায়ক
কলকাতা, ২ জুলাই (হি. স.) : বারাসাত পৌরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠল। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলে সরব হয়েছেন স্বয়ং স্থানীয় বিধায়ক। প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, বারাসাত পৌরসভায় নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে
বারাসাত পৌরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, জেলা শাসকের দ্বারস্থ বিধায়ক


কলকাতা, ২ জুলাই (হি. স.) : বারাসাত পৌরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠল। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলে সরব হয়েছেন স্বয়ং স্থানীয় বিধায়ক।

প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, বারাসাত পৌরসভায় নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নিজের কার্যালয়ে আয়োজিত একটি সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, সোমা চট্টোপাধ্যায় এবং নন্দিতা দাস নামে দুই ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূতভাবে পৌরসভায় চাকরি দেওয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, তাঁর অভিযোগের তির আরও গভীরে। তিনি জানান, এই ধরনের আরও বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক নিয়োগের তথ্য ও নথি সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বিধায়কের মূল দাবি, সংশ্লিষ্ট ওই দুই কর্মীর প্যান কার্ড, আধার কার্ড এবং জন্ম শংসাপত্রে উল্লেখিত বয়সের মধ্যে গুরুতর অসঙ্গতি ও গরমিল রয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ইতিমধ্যেই তিনি জেলা শাসকের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। জেলা প্রশাসনের শীর্ষ স্তরের তরফে গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আশ্বাস মিলেছে বলেও এদিন সাংবাদিক বৈঠকে উল্লেখ করেন বিধায়ক।

অন্য দিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন বারাসাত পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ওই দুই ব্যক্তি পৌরসভার স্থায়ী কর্মী নন, তাঁরা চুক্তিভিত্তিক বা ক্যাজুয়াল স্টাফ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তিনি চেয়ারম্যান পদে আসীন হওয়ার বহু আগেই ওই দুই কর্মীর নিয়োগ হয়েছিল। যদি কোনও নথিতে বা ফাইলে তাঁর স্বাক্ষর থেকে থাকে, তবে তা তৎকালীন চেয়ারম্যানের নির্দেশেই করা হয়েছিল। প্রাক্তন চেয়ারম্যানও পাল্টা দাবি করে জানিয়েছেন যে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য সবার সামনে আসবে।

পৌরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আদতে কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কি না, তা এখন জেলা প্রশাসনের তদন্ত রিপোর্টের পরই স্পষ্ট হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande