(আপডেট) ক্যানিংয়ের মৌখালীতে মাতলা নদীর চরে 'অরণ্যের কুলে' ক্যাফে ভাঙতে নামল প্রশাসন
ক্যানিং, ২ জুলাই (হি. স.) : দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের মৌখালী এলাকায় মাতলা নদীর চরে অবৈধভাবে নির্মিত ''অরণ্যের কুলে'' নামে একটি ক্যাফে ভাঙার কাজ শুরু করল জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার প্রশাসনের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই অভিযানে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের স
(আপডেট) ক্যানিংয়ের মৌখালীতে মাতলা নদীর চরে 'অরণ্যের কুলে' ক্যাফে ভাঙতে নামল প্রশাসন


ক্যানিং, ২ জুলাই (হি. স.) : দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের মৌখালী এলাকায় মাতলা নদীর চরে অবৈধভাবে নির্মিত 'অরণ্যের কুলে' নামে একটি ক্যাফে ভাঙার কাজ শুরু করল জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার প্রশাসনের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই অভিযানে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মাতলা নদীর চর দখল করে গড়ে ওঠা ওই ক্যাফে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই কারণেই ক্যাফের মালিক ইমরান মোল্লাকে গত ২৯ জুনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, ইমরান মোল্লা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকাত মোল্লার ছেলে।

কিন্তু প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও ক্যাফে ভাঙার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এরপরই জেলা প্রশাসন সরাসরি অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেয়। বৃহস্পতিবার প্রশাসনের আধিকারিকরা প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করেন।

অভিযানকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেই কারণে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রশাসনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভাঙার কাজ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও ঘটনাস্থলে ভিড় জমান এবং গোটা অভিযানের দিকে নজর রাখেন।

উল্লেখ্য, মাতলা নদীর চর দখল করে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে জোর চর্চা চলছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগে নোটিস দিয়ে স্বেচ্ছায় নির্মাণ ভেঙে ফেলার সুযোগ দেওয়া হলেও তা কার্যকর না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রশাসন নিজেই ব্যবস্থা নেয়।

এই অভিযানের মাধ্যমে নদীর চর দখল করে বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রশাসন যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তা স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। প্রশাসনের দাবি, আইন মেনেই এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অবৈধ দখলদারির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande