জনতার দরবারে বাসিন্দাদের অভিযোগ শুনলেন ঝাড়গ্রামের বিধায়ক, দ্রুত সমাধানের আশ্বাস
ঝাড়গ্রাম, ২ জুলাই (হি.স.) : সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনতে বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজন করা হয় ‘জনতার দরবার’ কর্মসূচির। সকাল থেকেই সেখানে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। কর্ম
জনতার দরবারে বাসিন্দাদের অভিযোগ শুনলেন ঝাড়গ্রামের বিধায়ক, দ্রুত সমাধানের আশ্বাস


ঝাড়গ্রাম, ২ জুলাই (হি.স.) : সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনতে বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজন করা হয় ‘জনতার দরবার’ কর্মসূচির। সকাল থেকেই সেখানে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রামের বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ।

একটি টেবিলে বসে বিধায়ক একে একে বাসিন্দাদের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন। নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশা, সামান্য বৃষ্টিতেই জল জমে যাওয়া, ভাঙাচোরা রাস্তা, পানীয় জলের সমস্যা, আবাসন এবং বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ তাঁর সামনে তুলে ধরেন এলাকাবাসী। প্রতিটি বিষয় গুরুত্ব সহকারে শুনে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

অনেক বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও কোনও কার্যকর সমাধান মেলেনি। বছরের পর বছর নানা সমস্যায় ভুগতে হলেও প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাবে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। এদিন সেই অভিযোগগুলিও নথিভুক্ত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান বিধায়ক।

কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভয়ের পরিবেশের কারণে অনেকেই নিজেদের সমস্যার কথা প্রকাশ্যে বলতে পারেননি। এই অভিযোগগুলিও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান লক্ষ্মীকান্ত সাউ।

বিধায়ক বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকা এবং তাঁদের সমস্যার কথা সরাসরি শুনে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করাই ‘জনতার দরবার’-এর মূল উদ্দেশ্য। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পর্যায়ক্রমে সমস্যাগুলির নিষ্পত্তি করা হবে। আগামী দিনেও শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এই ধরনের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।

এই কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। তাঁদের আশা, দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যাগুলির এবার বাস্তবসম্মত সমাধান হবে এবং এলাকার উন্নয়নের কাজ আরও গতি পাবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande