
হাওড়া, ২৩ জুলাই (হি.স.): রাজ্যের পূর্বতন সরকারের শাসনকালে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র বিতরণে বিস্তর গরমিলের প্রমাণ মিলেছে। সবচেয়ে বেশি জাল শংসাপত্রের প্রমাণ মিলেছে এসআইআর-এর সময়ে। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, এ বার থেকে সরকারি আধিকারিকেরা এই শংসাপত্র দেবেন। কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তা দিতে পারবেন না। স্বাস্থ্য দফতর গোটা রাজ্যে আধিকারিকদের দায়িত্ব ভাগ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। তার পরে আধিকারিকদের কেউ অবৈধ কাজ করলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। রাজ্য জানিয়েছে, ১৯৯৭ সাল থেকে নথিবদ্ধ হওয়া সব শংসাপত্র পুনর্যাচাই করবে সরকার। তার ভিত্তিতে তৈরি হবে অভিন্ন তথ্যভান্ডার। সেই তথ্যভান্ডার কেন্দ্রের পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে। মুখ্যসচিব জানান, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা হবে। যাঁর কাছে শংসাপত্র নেই, তাঁর শুনানি করে তা দেওয়া হবে। অবৈধ শংসাপত্র বাতিল হবে এবং সেই ব্যক্তির সম্পর্কে খোঁজখবর নেবে সরকার।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ