সুন্দরবন উপকূলে সন্দেহজনক মাছধরা ট্রলার আটক, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল কার্তুজ
সুন্দরবন, ২৩ জুলাই (হি. স.): গোপন সূত্রে পাওয়া নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী বন দফতরের সহযোগিতায় সুন্দরবন উপকূলে একটি সন্দেহজনক ভারতীয় মাছধরা ট্রলারে অভিযান চালায়। অভিযানে ট্রলারটি আটক করা হয় এবং সেখান থেকে চারজন ভারত
সুন্দরবন উপকূলে সন্দেহজনক মাছধরা ট্রলার আটক, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল কার্তুজ


সুন্দরবন, ২৩ জুলাই (হি. স.): গোপন সূত্রে পাওয়া নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী বন দফতরের সহযোগিতায় সুন্দরবন উপকূলে একটি সন্দেহজনক ভারতীয় মাছধরা ট্রলারে অভিযান চালায়। অভিযানে ট্রলারটি আটক করা হয় এবং সেখান থেকে চারজন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করা হয়। একইসঙ্গে ট্রলার থেকে উদ্ধার হয় চারটি লং ব্যারেল আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ কার্তুজ, যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের সঙ্গে কোনও আন্তঃসীমান্ত পাচারচক্রের যোগ থাকতে পারে। অস্ত্রগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছে, কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযান আন্তঃসীমান্ত পাচার রুখতে তাদের ধারাবাহিক তৎপরতারই অংশ। সমুদ্র উপকূলে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

অভিযানের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধৃত চারজনকে সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া চারটি লং ব্যারেল বন্দুক ও বিপুল কার্তুজ ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। শুক্রবার ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হবে।

ক্যানিং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক মোত্তাকিনুর মোল্লা জানান, “ধৃতদের পরিচয়, তাদের গতিবিধি এবং উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। অস্ত্রগুলি কোথা থেকে এসেছে, কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং এর পিছনে কোনও পাচারচক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande