প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগে বারুইপুরে গ্রেফতার রুম্মান কবির নামে এক যুবক
বারুইপুর, ২৬ জুলাই (হি. স.): দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর ও কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে রুম্মান কবির নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এল
প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগে বারুইপুরে গ্রেফতার রুম্মান কবির নামে এক যুবক


বারুইপুর, ২৬ জুলাই (হি. স.): দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর ও কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে রুম্মান কবির নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলের স্টোরিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। অভিযোগ, ওই ভিডিওতে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ও কুরুচিকর ভাষায় মন্তব্য করেন। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন একাধিক ব্যক্তি। রাতেই বিজেপির তরফ থেকে ফোনে বারুইপুর থানায় অভিযোগ জানানো হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হয় অভিযুক্ত যুবককে। এরপর রবিবার সকালে বারুইপুর থানায় বারুইপুর পশ্চিম বিজেপির ১ নম্বর মণ্ডলের পক্ষ থেকে বারুইপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযুক্ত রুম্মান কবিরকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওটি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য যাচাই করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষারও ব্যবস্থা করা হতে পারে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে, ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। অভিযোগকারী যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মুকাদ্দার সর্দার বলেন, “জনসমক্ষে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও কুরুচিকর মন্তব্য সমাজে বিভ্রান্তি এবং উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এরাই অশান্তি ছড়াচ্ছে সমাজে। এদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।”

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande