রানাঘাটে বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক সুখলতা রাওয়ের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন
রানাঘাট, ৯ জুলাই (হি.স.): বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক, চিত্রশিল্পী ও সমাজকর্মী সুখলতা রাওয়ের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার একটি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করল ''রানাঘাট কথাশিল্প'। সংস্থার মহলা কক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাহিত
নদীয়াতে কথাশিল্প সংস্থার উদ্যোগে স্মরণ অনুষ্ঠান


রানাঘাট, ৯ জুলাই (হি.স.): বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক, চিত্রশিল্পী ও সমাজকর্মী সুখলতা রাওয়ের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার একটি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করল 'রানাঘাট কথাশিল্প'। সংস্থার মহলা কক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতিমনস্ক মানুষজন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংস্থার সদস্যরা।

এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক পীতম ভট্টাচার্য সুখলতা রাওয়ের বহুমাত্রিক জীবন ও কর্মের নানা দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর কন্যা, সুকুমার রায়ের দিদি এবং সত্যজিৎ রায়ের পিসিমা সুখলতা রাও ছোটবেলা থেকেই এক অনন্য শিল্প ও সাহিত্যচর্চার পরিবেশে বেড়ে উঠেছিলেন। জলরং এবং তেলরং—উভয় মাধ্যমেই তাঁর আঁকা ছবি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শশী হেস এবং স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছিল। তৎকালীন বিখ্যাত ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর ‘পূজারিণী’ ও ‘সাবিত্রী’ ছবির প্রসঙ্গটিও এদিন আলোচনার মাধ্যমে উঠে আসে।

আলোচক আরও জানান, ১৯১২ সালে প্রকাশিত ‘গল্পের বই’ দিয়ে সুখলতা রাওয়ের সাহিত্য জীবনের সূচনা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষাতেই তিনি প্রায় কুড়িটি মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেন এবং ‘অলোক’ নামক একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন। শুধু শিল্প-সাহিত্যই নয়, সমাজসেবাতেও তাঁর অবদান ছিল অতুলনীয়। ওড়িশায় ‘শিশু ও মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র’ এবং ‘ওড়িশা নারী সেবাকেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি সমাজকল্যাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

এদিনের অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ‘কথাশিল্প’-এর ছাত্রছাত্রীরা সুখলতা রাওয়ের রচিত কবিতা আবৃত্তি করে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande