ক্লারিক্যাল কর্মীদের ইনক্রিমেন্ট বন্ধের নির্দেশিকার তীব্র বিরোধিতা পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নের
কলকাতা, ৯ জুলাই (হি. স.) : রাজ্য অর্থ দপ্তরের নির্দেশ অনুসারে ক্লারিক্যাল ক্যাডার কর্মীদের একাংশের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বন্ধ সংক্রান্ত একটি আদেশনামা প্রকাশিত হওয়ার পর, তার তীব্র বিরোধিতা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন । বৃহস্পতিবার সংগঠনের স
ক্লারিক্যাল কর্মীদের ইনক্রিমেন্ট বন্ধের নির্দেশিকার তীব্র বিরোধিতা পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নের


কলকাতা, ৯ জুলাই (হি. স.) : রাজ্য অর্থ দপ্তরের নির্দেশ অনুসারে ক্লারিক্যাল ক্যাডার কর্মীদের একাংশের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বন্ধ সংক্রান্ত একটি আদেশনামা প্রকাশিত হওয়ার পর, তার তীব্র বিরোধিতা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন । বৃহস্পতিবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ দাসের দাবি, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সি গ্রুপ-ডি কর্মীদের লোয়ার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট ও লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে কম্পিউটার টাইপিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। সেই সরকারি নির্দেশিকা মেনেই বহু কর্মী পরবর্তী সময়ে লোয়ার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট/লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক বা আপার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট/আপার ডিভিশন ক্লার্ক পদে পদোন্নতি পান। অথচ বর্তমান এই আদেশনামার জেরে তাঁদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন-র বক্তব্য, এই নতুন নির্দেশিকা কার্যকর ধরা হয়েছে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি থেকে। অর্থাৎ, প্রকাশের আগের তারিখ (ব্যাক ডেট) থেকে এটি প্রয়োগ করায় তা একেবারেই আইনসঙ্গত নয় এবং কর্মচারীদের স্বার্থবিরোধী। সংগঠনের দাবি, কর্মীদের আর্থিক সুবিধা কেড়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আদেশনামা পূর্ববর্তী তারিখ থেকে কার্যকর করা যায় না।

অবিলম্বে ওই নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে শুভাশীষ দাস বলেন, সরকার চাইলে নির্দেশটি প্রকাশের দিন থেকেই কার্যকর করতে পারে। এর পাশাপাশি, ক্লারিক্যাল কর্মীদের পদোন্নতির সুযোগ বাড়ানোর বদলে একাংশকে সন্তুষ্ট করতেই এই ধরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তবে এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের তরফে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande